সাতক্ষীরায় পুলিশের গুলিতে নিহত ১

বার্তাবাংলা ডেস্ক : : নির্বাচনী তফসিল বাতিল, নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনবহাল এবং আটক নেতাকর্মীদের মুক্তির দাবিতে পঞ্চম দফায় বিএনপি নেতৃত্বাধীন ১৮ দল সারাদেশে ৮৩ ঘণ্টার অবরোধের শেষ দিনে দেশের বিভিন্ন জায়গায় সড়ক অবরোধ, ককটেল বিস্ফোরণ, যানবাহন ভাঙচুর করেছে অবরোধকারীরা।

সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ঝাউডাঙ্গায় নিয়মিত টহলের সময় শিবির কর্মীরা পুলিশের গাড়ির ওপর হামলা চালায়। এ সময় পুলিশ ২৫-৩০ রাউন্ড গুলি ছোড়লে একজন শিবির কর্মী মারা যান। এছাড়া আহত হয়েছে বেশ কয়েকজন। এর মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের ফোজদারহাটে একটি গরুবাহী ট্রাকে আগুন দিয়েছে অবরোধকারীরা। এ সময় আগুনে পুড়ে মারা যায় ৭টি গরু। এছাড়া নগরীর বিবিরহাটে মিছিল থেকে পুলিশকে লক্ষ্য করে ককটেল ছুঁড়ে শিবির কর্মীরা। এ সময় দুপক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় একজন আহত হন।

নাটোর শহরের স্টেশন এলাকায় বিএনপির মিছিল থেকে রেল লাইনে আগুন ধরিয়ে দেয়। বড় হরিশপুর বাইপাসে পাহারায় পণ্য বোঝাই ট্রাকে ইট-পাটকেল ছুড়ে ভাঙচুর করে অবরোধকারীরা।

বরিশালের বিভিন্ন জায়গায় টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করে অবরোধকারীরা। নগরীর কুদঘাটাতে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায় তারা। নাশকতার আশঙ্কায় ২৬ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

নারায়ণগঞ্জের আড়াই হাজারে ঢাকা সিলেট মহাসড়কে পেট্রোল ঢেলে টায়ার জ্বালিয়ে সড়ক অবরোধের চেষ্টা করে বিএনপি নেতাকর্মীরা। এ সময় কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায় ও দুটি গাড়ি ভাঙচুর করে তারা।

মাগুরা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে ছাত্রদলের মিছিল থেকে ২টি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে। এ সময় একটি ইজিবাইক ভাঙচুর করলে ২ জন আহত হন।

এছাড়াও, সড়ক অবরোধ, ককটেল বিস্ফোরণ, যানবাহন ভাঙচুর, বিক্ষোভ মিছিলের মধ্য দিয়ে খুলনা, চাঁদপুর, নরসিংদী, ভোলা ও কুষ্টিয়াসহ বিভিন্ন জায়গায় অবরোধ কর্মসূচি পার করছে ১৮ দলের নেতা-কর্মীরা।

এদিকে, গত কয়েক দিনের মতো রাজাধানীর জীবনযাত্রা ও যানবাহন স্বভাবিক রয়েছে। কর্মদিবসের শুরু থেকেই নগরীর সড়কে রয়েছে যানজট। যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কড়া নজরদারি রয়েছে।