তফসিল বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে রিট

বার্তাবাংলা ডেস্ক : : আসন্ন দশম জাতীয় নির্বাচন উপলক্ষে নির্বাচন কমিশন কর্তৃক ঘোষিত তফসিল বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে একটি রিট দায়ের করা হয়েছে।

শনিবার সুপ্রিম কোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় আইনজীবী ড. ইউনুস আলী আকন্দ এ রিট দায়ের করেন।

রিটে কেন এ তফসিল ঘোষণাকে অবৈধ ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারির আবেদন করা হয়েছে। একই সঙ্গে এ রিট আবেদনের শুনানি শেষ না হওয়া পর্যন্ত তফসিল স্থগিত রাখতে আদালতের আদেশ দিতে আবেদন জানানো হয়েছে।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার, নির্বাচন কমিশন সচিব, আইন সাচিব এবং মন্ত্রীপরিষদ সচিবকে রিটে বিবাদী করা হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে রিটকারী আইনজীবী ড. ইউনুস আলী আকন্দ জানান, নির্বাচন কমিশনের তফসিল বাতিল করতে গত ২৬ নভেম্বর বিবাদীদেরকে একটি লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছিল। নোটিশে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জবাব দেয়ার জন্য বলা হয়েছিল। কিন্তু তারা এর কোন কারণ ব্যাখ্যা করেনি। যার প্রেক্ষিতে আজ তফসিল বাতিল করতে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে।গত ২৬ নভেম্বর পাঠানো উকিল নোটিশে বলা হয়েছিল, বাংলাদেশ সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগের সিভিল আপিল নং-১৩০/২০০৫ এর প্যারা নং-৪৪/৪৫ এ উল্লেখ আছে- নির্বাচনকালীন মন্ত্রিসভা ছোট আকারের হবে। এ সত্ত্বেও বর্তমান মন্ত্রিসভায় প্রায় ৪০ জন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী এবং উপদেষ্টা নিয়োগ দেয়া হয়েছে। যার অধিকাংশই নির্বাচনের প্রার্থী। অথচ বিগত তত্ত্বাবধায়কের সময় এই সংখ্যা ছিল মাত্র ১০ জন।

উক্ত ৪৪নং প্যারায় আরো বলা আছে, দশম ও একাদশ নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই হবে। কিন্তু তা হচ্ছে না। দশম জাতীয় নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠান করার নির্দেশ চেয়ে হাইকোর্টে রিট পিটিশন নং-১০২৯/১৩ দায়ের করা হয় যা এখনও বিচারাধীন রয়েছে।

দফার ৪৪/৪৫ প্যারা অনুসারে উপরোক্ত বিষয়গুলো সংবিধোনের অনুচ্ছেদ ৭/১১ কে লঙ্ঘন করেছে।

দফার নির্দেশনা অনুসারে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে যদি আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নির্বাচনী তফসিল বাতিল ঘোষণা এবং নতুন তফসিলের দিন ধার্য করা না হলে হাইকোর্টে আবেদন করা হবে বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছিল।