নির্বাচনী-আচরণ বিধিমালা এ সপ্তাহের মধ্যেই : শাহনেওয়াজ

বার্তাবাংলা ডেস্ক :: জাতীয় নির্বাচনের তফশিল ঘোষণা থেকে শুরু করে ফলাফল গেজেট আকারে প্রকাশের জন্য ৪৫ দিনকে নির্বাচন পূর্ববর্তী সময় হিসেবে নির্ধারণ করার বিবেচনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার মো. শাহনেওয়াজ।

তিনি বলেন, এ সপ্তাহের মধ্যে নির্বাচনী-আচরণ বিধিমালা চূড়ান্ত করা হবে। এ আচরণ বিধিমালায় নির্বাচন পূর্ব সময় নির্ধারণ করা হবে।

তিনি আরো বলেন, জাতীয় নির্বাচনের তফশিল ঘোষণার পর থেকে নির্বাচনের ফলাফল গেজেট আকারে প্রকাশ করার সময়কে নির্বাচন পূর্ববর্তী সময় হিসেবে বিবেচনা করে কমিশন সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্পন্ন করার জন্য প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। তিনি আজ নগরীর শেরে বাংলা নগরের নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের নিজ কার্যালয়ের সাংবাদিকদের একথা জানান।

এসময় মো. শাহনেওয়াজ বলেন, আগে যেভাবে জাতীয় সংসদ নির্বাচন হয়েছে বর্তমানে সেভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠানের কোন সুযোগ নেই। তিনি বলেন, আগে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হত। সে সময় তত্ত্বাবধায়ক সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে নির্বাচনের ফলাফল গেজেট হওয়া পর্যন্ত সময়কে কমিশন নির্বাচন পূর্ববর্তী সময় বলে বিবেচনা করতো।

শাহনেওয়াজ বলেন, আইন অনুযায়ী বর্তমানে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠানের কোন সুযোগ নেই। সে অনুযায়ী নির্বাচনী আচরণ বিধিমালায় ‘নির্বাচন পূর্ব সময়’ নির্ধারণের ক্ষেত্রে পরিবর্তণ আনা হচ্ছে।এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নির্বাচন পূর্ব সময়ে যাতে কেউ সরকারি অর্থ ছাড় দিতে না পারে তার বিধান রাখারও চিন্তা করছে কমিশন।

নির্বাচন পূর্ব সময়ে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বদলীর ব্যাপারে কমিশনের এখতিয়ার থাকছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, কমিশন ঢালাওভাবে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারিদের বদলির নির্দশ না দিলেও একটি ভাল নির্বাচন উপহার দেয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

তিনি আরো বলেন, আগামী জাতীয় নির্বাচনকে অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী সকল রাজনৈতিক দলের সমান সুযোগ নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সংবিধান অনুযায়ী নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠানের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আইন অনুসারে ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করবে কমিশন। কমিশন সুবিধাজনক সময়ে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফশিল ঘোষণা করবে এজন্য যে কাজগুলো কমিশনের করার দরকার সেগুলো করছে এবং যেসব কাজ করার দরকার সেগুলোও করা হবে।