সিপি ফুডের স্ক্র্যাচ টু উইন প্রোগ্রাম আজ থেকে শুরু

বার্তাবাংলা রিপোর্ট :: সিপি ফুডের মাসব্যাপী ‘স্ক্র্যাচ টু উইন’ প্রোগ্রাম শুরু হচ্ছে আজ থেকে। আগামী ৭ অক্টোবর এই কার্যক্রম শেষ হবে। এই সময়ের মধ্যে ভোক্তারা সিপি ফুডের যেকোনো আউটলেট থেকে ন্যূনতম ২০০ টাকার খাবার কিনে কুইজ কনটেস্টে অংশ নিতে পারবেন। কুইজের সঠিক উত্তর দিতে পারলেই স্ক্র্যাচকার্ডে মিলবে কোনো না কোনো পুরস্কার। থাইল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান চ্যারন পকফ্যান্ডের (সিপি) বাংলাদেশে ১০০ আউটলেট স্থাপন উপলক্ষে এ কর্মসূচি পালন করতে যাচ্ছে সিপি বাংলাদেশ কোম্পানি লিমিটেড। স্ক্র্যাচ টু উইন প্রোগ্রাম উপলক্ষে গতকাল শুক্রবার রাজধানীর অদূরে সাভারের হেমায়েতপুরে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে এ কথা জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে সিপি গ্রুপের হেড অব ফুড বিজনেস পুনসাব মাপাকডি, হেড অব সেলস এন্ড মার্কেটিং খানথিমা মঙসাই, হেড অব সাপ্লাই চেইন এন্ড আর এন্ড ডি সুনানতা গাজেসানানদ, মার্কেটিং ম্যানেজার মোস্তফা রাসেল আকন্দসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মধ্যে থিরাচাই টিচাসোপনমানি, ভিসানসিয়া, পাচারাডা প্রমুখ উপস্থিত থেকে বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন। আয়োজকরা জানান, স্ক্র্যাচকার্ডে পুরস্কার হিসেবে থাকবে মোট ৫০টি গ্যালাক্সি এস মোবাইল ফোন সেট। এছাড়া ৫০০টি চিকেন মাসালার পাশাপাশি থাকছে নগদ ৫ টাকা ছাড়। সিপির কর্মকর্তারা জানান, ১৯২১ সালে থাইল্যান্ডে সিপি ফুডের যাত্রা শুরু। বর্তমানে বিশ্বের ২৫টি দেশে সিপি ফুড সুনাম অর্জন করেছে। ১৯৯৮ সালে কোম্পানিটি বাংলাদেশের বাজারে প্রবেশ করে। ২০০৯ সাল থেকে কোম্পানিটি বাংলাদেশে আউটলেট স্থাপনের মাধ্যমে ব্যবসার বিস্তার ঘটায়। সিপি ফুডের জনপ্রিয়তা বাড়ার ফল হিসেবে শুধু ঢাকাচট্টগ্রামেই প্রতিষ্ঠানটির ১০০ আউটলেট স্থাপিত হয়েছে। এর মধ্যে চট্টগ্রামে ৪টি। সংবাদ সম্মেলনে পুনসাব মাপাকডি বলেন, আমাদের সব আউটলেটে একই পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়। স্বয়ংক্রিয় মেশিনের সাহায্যে সিপি ফুড প্রস্তুত করা হয়। আমরা সারা বিশ্বে সিপি ফুডকে পরিচিত করাতে চাই। তিনি বলেন, বাংলাদেশের জনসংখ্যা, মাথাপিছু আয় ও শিক্ষাগত অবকাঠামোর ওপর ভিত্তি করে এই খাবারের বিস্তার ঘটাতে চাই। কাস্টমারের চাহিদা ও কোয়ালিটি সম্পূর্ণ খাবার আমরা সরবরাহ করতে চাই। আমার বিশ্বাস খাবারের রাজ্যে সিপি ফুড বাংলাদেশিদের মাঝে নতুন সম্ভাবনার পথ সৃষ্টি করবে। সিপির বাংলাদেশ শাখার হেড অব সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং অফিসার খানথিমা মঙসাই বলেন, আমাদের মূল (মাদার) কোম্পানি থাইল্যান্ডে। তাই থাইল্যান্ডের আদলে সমস্ত খাবার তৈরি করা হয়। যে কারণে ২৫টি দেশেই সিপি ফুডের স্বাদ একই রকমের।

তিনি বলেন, আমরা সাধারণত বাংলাদেশে পুষ্টি সরবরাহের কথা চিন্তা করে সিপি ফুড তৈরি শুরু করেছি। শিক্ষার্থী আর টিনএজার আমাদের অন্যতম লক্ষ্য। তাদের মাঝে এই খাবার দিন দিন আকর্ষণীয় হয়ে উঠছে। মার্কেটিং ম্যানেজার মোস্তফা রাসেল আকন্দ বলেন, সিপির মূল স্লোগান ‘কিচেন অব দ্য ওর্য়াল্ড’এর ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশে এর স্লোগান ‘কিচেন অব দ্য বাংলাদেশ’। বাংলাদেশে সিপি ফুডকে মানুষের দোরগোড়ায় কীভাবে আরও সহজে পৌঁছে দেওয়া যায় আমরা সেই লক্ষ্যে কাজ করছি।