হাওড়বাসীকে সম্মানিত করতেই ‘হাওড় এক্সপ্রেস’ নামকরণ : রেলমন্ত্রী

বার্তাবাংলা ডেস্ক :: কংসও নয়, কাশবনও নয় অবশেষে ঢাকা-ময়মনসিংহ-মোহনগঞ্জ রুটের আন্তঃনগর ট্রেন সার্ভিসের নাম হচ্ছে হাওড় এক্সপ্রেস। বিভিন্ন মহল থেকে বিভিন্ন নাম প্রস্তাব করা হলেও সবশেষ প্রধানমন্ত্রীর মতামত নিয়ে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয় বলে জানিয়েছেন রেলমন্ত্রী মো. মুজিবুল হক। হাওড়বাসীকে সম্মানিত করতেই এ নামকরণ করা হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী। আগামী ৩০ জুলাই মোহনগঞ্জ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে হাওড় এক্সপ্রেসের উদ্বোধন করবেন রেলমন্ত্রী।

এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি—অবশেষে ঢাকা-ময়মনসিংহ-মোহনগঞ্জ রেলপথে চালু হতে যাচ্ছে আন্তঃনগর ট্রেন সার্ভিস।

কাশবন নাকি কংস, না অন্য কিছু, এই ট্রেনের নাম নিয়ে কম বিতর্ক হয়নি। প্রস্তাব পাল্টা প্রস্তাব আর বির্তক, শেষ পর্যন্ত নামের বিষয়টি গড়ায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক পর্যন্ত। ট্রেনটির নাম কংস রাখার সুপারিশ করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য।

আর কবি নির্মলেন্দু গুণসহ বিশিষ্টব্যক্তিরা নাম প্রস্তাব করেন কাশবন এক্সপ্রেস। এমনকি রেলমন্ত্রীর উদ্দেশে পত্রিকায় খোলাচিঠিও লেখেন কবি নির্মলেন্দু গুণ। নেত্রকোনা, মহুয়া, ভাটিবাংলা এক্সপ্রেস নামকরণের সুপারিশও করা হয়।

সব বিতর্কের অবসান ঘটিয়ে শেষ পর্যন্ত হাওড় এক্সপ্রেস নামে যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছে ট্রেনটি। দেশ টিভিকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে রেলমন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রীর মতামত নিয়েই এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। মূলত হাওড়বাসীকে সম্মানিত করতে এ নাম দেয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা রেল মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ রেলওয়ে এবং মাননীয প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে এই নাম ঠিক করি। প্রধানমন্ত্রী বলেন যেহেতু হাওড় এলাকা, তাই হাওড় এলাকাকে গুরুত্ব দিয়ে হাওড় এক্সপ্রেস করার জন্য আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ’

আগামী ৩০ জুলাই মোহনগঞ্জ থেকে ট্রেনটি উদ্বোধন করবেন রেলমন্ত্রী। ট্রেনের নাম প্রস্তাবকারীদের স্বাগত জানিয়ে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তাদের উপস্থিতি কামনা করেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা যেদিন হাওড় এক্সপ্রেস উদ্বোধন করব মোহনগঞ্জ স্টেশনে, যারা নাম দিয়েছেন তাদের সবাইকে অনুষ্ঠানে উপস্তিত থাকার জন্য নিমন্ত্রণ জানালাম।’