বার্তাবাংলা ডেস্ক »

ব্যাংকিং সেবা দ্রুত পৌঁছে যাচ্ছে গ্রামগঞ্জে। আর এতে বড় ভূমিকা রাখছে এজেন্ট ব্যাংকিং সেবা। সারা দেশের তিন হাজারের বেশি পয়েন্টে এ সেবা দিচ্ছে বিভিন্ন ব্যাংকের মনোনীত এজেন্টরা। ফলে ইউনিয়নে ইউনিয়নে পাওয়া যাচ্ছে ব্যাংকিং সেবা, স্কুলেও বসেছে ব্যাংক। সরকারের সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির আওতায় দেওয়া ভাতাও গ্রামগঞ্জে সহজে পাওয়া যাচ্ছে এসব এজেন্টের মাধ্যমে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এটুআই প্রকল্পের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়ে ইউনিয়ন পর্যায়ে সেবা সম্প্রসারণ করছে অনেক ব্যাংক।

গত জুন পর্যন্ত ১৭টি ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিং সেবার অনুমোদন নিলেও ১৩টি ব্যাংক সেবাটি চালু করেছে। সবশেষ ইসলামী ব্যাংক এ সেবা চালু করেছে। গত জুন পর্যন্ত এ সেবার গ্রাহক হয়েছেন ৮ লাখ ৭২ হাজার ৮৬৫। এর মধ্যে ২ লাখ ৬৭ হাজার ২৬৫ জনই মহিলা গ্রাহক। এসব হিসাবে জমা রয়েছে ৬৫১ কোটি টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংক ২০১৩ সালের ৯ ডিসেম্বর এজেন্ট ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনাসংক্রান্ত নীতিমালা জারি করে। এজেন্ট ব্যাংকিং পরিচালনার জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের সঙ্গে প্রত্যেক এজেন্টের একটি চলতি হিসাব থাকতে হয়। এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ছোট অঙ্কের অর্থ জমা ও উত্তোলন করা যায়। প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স স্থানীয় মুদ্রায় বিতরণ, ছোট অঙ্কের ঋণ বিতরণ ও আদায় এবং এককালীন জমার কাজও গ্রাহকেরা সহজে করতে পারছেন।এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের সেবা বিল পরিশোধের পাশাপাশি সরকারের অধীনে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির অর্থ প্রদান করতে পারছেন গ্রাহকেরা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির আওতায় সুবিধাভোগীদের মাসভিত্তিক ভাতা প্রদান করছে ব্যাংক এশিয়া। স্কুল ব্যাংকিং সুবিধা প্রদানে বেসরকারি সংস্থা ব্র্যাকের সঙ্গে কাজ করছে ব্যাংকটি। পোশাককর্মীদের বেতন সহজে পরিশোধে সুইস কনটাক্টের সহায়তায় বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে। এ ছাড়া কৃষকদের ঋণসুবিধা দিতে ইউএসএইয়ের সুবিধা দিতে চালু করেছে বিশেষ কার্ড।

শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »

%d bloggers like this: