বার্তাবাংলা ডেস্ক »

bank forgeryবার্তাবাংলা রিপোর্ট :: ব্যাংক থেকে ঋণ না নিয়েও ঋণের মিথ্যে বোঝা বয়ে বেড়াচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন রাজধানীর উত্তর বাড্ডার স্মৃতি ব্রেড অ্যান্ড বিস্কুট ফ্যাক্টরির মালিক ইলিয়াছ পাটোয়ারী। ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সম্প্রতি তিনি এ অভিযোগ করেন।
ইলিয়াছ পাটোয়ারী তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, ২০০৯ সালের ২৫ এপ্রিল আমি ৩ লাখ টাকা ও ১২ মে আরো ৫০ হাজার টাকা দিয়ে এইচএনএস অটোমোবাইলস থেকে একটি গাড়ি কিনি। গাড়িটির দাম ছিলো ১১ লাখ ৪০ হাজার টাকা। বাকি ৮ লাখ ৮০ হাজার টাকা একই বছরের ৫ জুলাই সিটি ব্যাংকের আমার একাউন্ট থেকে দেয়া হয়। এর ১০ জুন পিও নম্বর ৮৯৩২২৭ থেকে ৭ লাখ ৯০ হাজার টাকা এবং ২০ জুলাই পিও নম্বর ৯১৫০৮৮ থেকে আরো সাড়ে ৭ লাখ টাকা নেয়। এভাবে মোট ২৭ লাখ ৭০ হাজার টাকা গাড়ি কোম্পানি নিয়ে নেয় আমার কাছ থেকে। তারা নানাভাবে গাড়ির দাম দেখায়। এভাবে তারা আরো অনেক টাকা নেয়। যার কোনো রশিদ দেয়া হয়নি আমাকে। আবার ওই টাকা থেকে ৬ লাখ ৬১ হাজার টাকা আমাকে ফেরত দেয়া হয় বলে গাড়ি কোম্পানি দাবি করে।
ইলিয়াছ বলেন, সিটি ব্যাংক স্মৃতি ব্রেড অ্যান্ড বিস্কুট বেকারির একাউন্ট  থেকে স্যোসাল ইসলামী ব্যাংকে ইলিয়াছ নামে পে অর্ডারের মাধ্যমে ৪ লাখ ২৪ হাজার ৯২০ টাকা উত্তোলন করা হয়। জহিরল ইসলাম নামে ওই একাউন্ট থেকে আরো ৯ লাখ ৩৪ হাজার টাকা উত্তোলন হয়। ইলিয়াস মিয়া নামে ৮ লাখ ৬ হাজার ৪৪৮ টাকা উত্তোলন করা হয়। তানভীর ডালমিন নামে ১০ লাখ সাড়ে ৮ টাকা তোলা হয়। জনতা ফাওয়ার নামে ৭ লাখ ৩ হাজার ৩০০ টাকা তোলা হয়। এভাবে আরো বহু চেক সেলফ নামে এবং অন্যান্য নামে ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলন করা হয়। আমার প্রশ্ন, কে এই ইলিয়াছ মিয়া?  আমি কোনোদিন স্যোসাল ইসলামী ব্যাংকে একাউন্টই খুলিনি।
তিনি বলেন, এক শ্রেণীর কর্মকর্তার যোগসাজসে এলাকার সন্ত্রাসীরা আমার টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। সেই সঙ্গে আমি লোন না নিয়েও ঋণের বোঝা বয়ে বেড়াচ্ছি। এ ব্যাপারে গত বছর ২ ফেব্রুয়ারি সিএমএম আদালতে আমি মামলা করি। মামলা নম্বর ৮৬/২০১২। চেক সংক্রান্ত একটি মামলা সিআইডিও তদন্ত করছে জানিয়ে ইলিয়াছ পাটোয়ারী বলেন, এ ব্যাপারে আমি র‌্যাব, দুদক, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও সর্বোপরি প্রধানমন্ত্রীর হস্থক্ষেপ কামনা করছি।

শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »