বার্তাবাংলা ডেস্ক »

tabinajবার্তাবাংলা রিপোর্ট :: তামাক বিরোধী নারী জোট (তাবিনাজ) এর আয়োজনে ‘ধোঁয়াবিহিীন তামাকজাত দ্রব্য জর্দা ও গুল উৎপাদন সংক্রান্ত প্রাথমিক জরিপের তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে। শনিবার সকালে জাতীয় প্রেসকাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে ওই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সঞ্চালনা করেন উবিনীগের পরিচালক সীমা দাস সীমু, শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন তাবিনাজের সমন্বক সাইদা আকতার, মূল বিষয় উপস্থাপন করেন তামাক বিরোধী নারী জোটের আহবায়ক ফরিদা আখতার। তাবিনাজের সচিবালয় নারীগ্রন্থ প্রবর্তনা থেকে বাংলাদেশের ৭টি বিভাগের ৩৪টি জেলার ২২জন তাবিনাজ সদস্য সংগঠনের মাধ্যমে ধোঁয়াবিহীন তামাক জর্দা, গুল ফ্যাক্টরীর তথ্য সংগ্রহ করা হয়।  জেলা পযার্য়ের গবেষকের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মির্জা তাহমিনা আখতার, নাইস ফাউন্ডেশন, খুলনা, সালমা সুলতানা, নিকুশিমাজ সমাজ কল্যাণ প্রতিষ্ঠান, কুষ্টিয়া, সৌহার্দ্য নারী কল্যাণ ফাউন্ডেশন, মাদারীপুর, ফাহিমা খানম, মাদারস ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি, নরসিংদী। বক্তারা বলেন, জর্দা, গুলের নামে-বেনামে সাইন বোর্ড ছাড়া অনেক ফ্যাক্টরী আছে। সেখানে নারী ও শিশুরা অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে কাজ করে। কর ফাঁকি দেবার জন্য অনেক মালিক ফ্যাট বাসা ভাড়া নিয়ে ঘরোয়াভাবে উৎপাদন করছে। এমন ভাবে নামকরন করেছে বোঝা যায় না কিসের ফ্যাক্টরী।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন এই গবেষণার জেলা পযার্য়ের গবেষকগণ। আরো উপস্থিত ছিলেন ন্যাশনাল এন্টি টিবি এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নাটাব), ইউনাইটেড ফোরাম এগেইনষ্ট টোবাকো (উফাত), ডাব্লিউবিবি ট্রাষ্ট, সাংবাদিক, বিভিন্ন সংগঠন এবং ক্যাম্পেন ফর টোবাকো ফ্রি কিডস্রে প্রোগ্রাম ম্যানেজার।
এটি একটি পুর্ণাংগ গবেষণা নয়, এটা সংপ্তি জরীপ। তবে সংক্ষিপ্ত হলেও ধোঁয়াবিহীন তামাকজাত দ্রব্য সম্পর্কে একেবারে যেখানে তথ্যের অভাব সেখানে প্রাথমিক ধারণা পাওয়ার জন্যে এবং ভবিষ্যত গবেষনার বিষয় নির্ধারণের জন্য এই ফলাফল ভাল ভাবেই কাজে লাগবে।
এই পণ্য উৎপাদনের ওপর এবং ব্যবহারের ওপর উচ্চ হারে কর আরোপ করলে এর উৎপাদন ও ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ সম্ভব বলে এই সংপ্তি জরিপের ফলাফল থেকে বলা যায়। প্রয়োজনে এই বিষয়ে সরকার আরও তথ্য সংগ্রহ করতে পারেন। নতুন সংশোধিত আইনের আওতায় এর ওপর নিয়ন্ত্রণের পদপে গ্রহণ করা হবে বলে তাবিনাজ আশা করে।

শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »