জাপানের টোকিওতে বাংলার দ্বিতীয় নবান্ন উৎসব

জাপানের টোকিও শহরে দ্বিতীয়বারের মতো নবান্ন উৎসব পালন করল সেখানে বসবাসরত বাংলাদেশিরা। গত ৮ ডিসেম্বর রবিবার স্থানীয় সময় বিকাল ৬টায় টোকিওর তাকিনোগাওয়াকাইকান হলে বৃহত্তর খুলনা সমিতির (জিকেসিজে) উদ্যোগে আয়োজিত হয় এ নবান্ন উৎসব।
দূর প্রবাসে বাংলার প্রাণেরঐতিহ্য ধরে রাখতে দ্বিতীয়বারের মতো এ উৎসবে ছিল চাল ও চালের গুঁড়ি দিয়ে তৈরি বাহারিখাবার, আকর্ষণীয় মিষ্টাণ্ন, রকমারি পিঠা ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনা।
পাঁচটি পৃথক পর্ব ছিল এ উৎসবে, উদ্বোধন, নবান্নের গান, নবান্নের কবিতা, নবান্নের নৃত্য ও আনন্দ কনসার্ট।
সাংস্কৃতিকপর্বে শিল্পীরা নাচে-গানে মাতিয়ে তোলে উৎসব। এ সময় খুলনার একাধিক আঞ্চলিক গানও পরিবেশন করেন শিল্পীরা।
বিদেশিদের সামনে দেশের গৌরবময় ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি তুলে ধরা এবং নিজেদের চর্চা অব্যাহত রাখার লক্ষ্য থেকেই আমাদের এ আয়োজন। এ নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো এ আয়োজনে প্রথমবারের তুলনায় আরো বেশি সাড়া পেয়েছি আমরা।
আগামীতে আরো বৃহত্তর পরিসরে এ ধরনের আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে আমাদের, জানান জিকেসেজির কর্মকর্তা তানিজা শারমিন ও বহ্নি আহমেদ।
মনমাতানো নবান্ন আয়োজনে হাজিরা দেন জাপানের বাংলাদেশ দূতাবাসের শীর্ষ কর্মকর্তাসহ জাপানে বসবাসরত পাঁচ শতাধিক বাঙালি।
জিকেসিজে সভাপতি গুল মোহাম্মদ ঠাকুর, সাধারণ সম্পাদক মাসুদুর রহমান, রুনা আহমেদ, বহ্নি আহমেদ, গোলাম মাসুম, তানিজা শারমিনসহ বিশজনের স্বেচ্ছাসেবক দল গোটা আয়োজন সফল করে তোলেন।