৬২ হাজার বিনিয়োগকারী হারিয়েছে শেয়ারবাজার

ডিএসইর

শেয়ারবাজারের মন্দার কারণে চলতি বছরের শেষ দুই মাসে (মে-জুন) বিনিয়োগকারীদের প্রায় ৬২ হাজার বেনিফিশিয়ারি ওনার্স (বিও) হিসাব বন্ধ হয়ে গেছে। বিনিয়োগকারীরা নবায়ন না করায় সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি অব বাংলাদেশ (সিডিবিএল) এসব বিও হিসাব বন্ধ করে দিয়েছে। তবে বড় অংকের ব্যক্তি বিনিয়োগকারী শেয়ারবাজার ছাড়লেও এ সময়ের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরার সংখ্যা বেড়েছে।

সিডিবিএল সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের এপ্রিল মাস শেষে শেয়ারবাজারে বিও হিসাব ছিল ২৮ লাখ ৪৮ হাজার ৩২০টি। ৪ জুন তা দাঁড়িয়েছে ২৭ লাখ ৮৬ হাজার ৩৩৫ টিতে। অর্থাৎ এই দুই মাসে ৬১ হাজার ৯৮৫টি বিও হিসাব বন্ধ করে দিয়েছে সিডিবিএল।

গত দুই মাসে শেয়ারবাজারে দেশি-বিদেশি উভয় বিনিয়োগকারীর বিও হিসাব কমেছে। দেশি বিনিয়োগকারীদের বিও হিসাব কমেছে ৫৫ হাজার ৭৬৩টি। ৪ জুলাই দেশি বিনিয়োগকারীদের বিও হিসাব দাঁড়িয়েছে ২৬ লাখ ৯ হাজার ১৪১টিতে, যা এপ্রিল শেষে ছিল ২৬ লাখ ৬৪ হাজার ৯০৪টি।

আর ৪ জুলাই বিদেশি বিনিয়োগকারীদের বিও হিসাব দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৬৩ হাজার ৯১৫টি, যা এপ্রিল শেষে ছিল ১ লাখ ৭০ হাজার ২৬৬টি। এ হিসাবে গত দুই মাসে শেয়ারবাজারে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের বিও হিসাব বন্ধ হয়েছে ৬ হাজার ৩৫১টি।

সিডিবিএলের তথ্য অনুযায়ী, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের মতো নারী ও পুরুষ উভয় বিনিয়োগকারীর বিও হিসাব কমেছে। ৪ জুলাই পুরুষ বিও হিসাব দাঁড়িয়েছে ২০ লাখ ৩৩ হাজার ৯৯৯ টিতে। যা এপ্রিল মাসের শেষে ছিল ২০ লাখ ৭৮ হাজার ৭৩১টি। অর্থাৎ এ সময়ে পুরুষ বিও হিসাব বন্ধ হয়েছে ৪৪ হাজার ৭৩২টি।

এ সময়ে নারী বিনিয়োগকারীদের ১৭ হাজার ৩৮২টি বিও হিসাব বন্ধ করা হয়েছে। এপ্রিল শেষে নারী বিনিয়োগকারীদের বিও হিসাব ছিল ৭ লাখ ৫৬ হাজার ৪৩৯টি। ৪ জুন তা দাঁড়িয়েছে ৭ লাখ ৩৯ হাজার ৫৭টিতে।

তবে পুরুষ ও নারী বিনিয়োগকারীদের বিও হিসাব কমলেও গত দুই মাসে বেড়েছে কোম্পানির বিও হিসাব। গত দুই মাসে কোম্পানির বিও হিসাব বেড়েছে ১২৯টি বেড়েছে। ৪ জুলাই তা দাঁড়িয়েছে ১৩ হাজার ২৭৯টিতে, যা এপ্রিল শেষে ছিল ১৩ হাজার ১৫০টি।