মিমির বাড়িতে নুসরাত

মিমির বাড়িতে নুসরাত

একসঙ্গে ছবি করা আবার রাজনীতির ময়দানে তুমুল লড়াই। তাদের প্রতিযোগিতা নিয়ে আলোচনাও কম হয়নি। তবে সব কিছুকে ছাপিয়ে তাদের বন্ধুত্বের ছবিটা বরাবরই বড় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই দুই বান্ধবী আর কেউ নন-নুসরাত ও মিমি চক্রবর্তী। ঠিক পাঁচ দিন পরে নুসরাত জাহানের বিয়ে। তার আগে মিমি চক্রবর্তী নিজের বাড়িতে হবু কনেকে ডেকে আইবুড়ো ভাত খাওয়ালেন।

বুধবার দুপুরে মিমির কসবার ফ্ল্যাটে আইবুড়ো ভাতের নিমন্ত্রণ ছিল নুসরাতের। একেবারেই ঘরোয়াভাবে অনুষ্ঠানটি হয়। যে কারণে নুসরত বা মিমি দু’জনেই মেকআপ, পোশাকে ছিলেন সাদামাটা। তবে আড়ম্বর ছিল মেনুতে। প্রিয় বান্ধবীর জন্য অনেক আয়োজন করেছিলেন মিমি। লুচি, ছোলার ডাল, নানা রকম ভাজা, বাসন্তী পোলাও, চিংড়ি, ইলিশ, চিকেন এবং ম্যাঙ্গো কাস্টার্ড-নুসরাতের পছন্দের সব খাবারই ছিল। বাড়িতেই সব রান্না করিয়েছিলেন মিমি। শুধু চিকেনের পদটা রান্না করে দিয়েছিলেন তার মা।

আগামী ১৯ জুন তুরস্কের বোদরুমে বিয়ে করছেন নুসরাত জাহান এবং নিখিল জৈন। হবু বর-কনে সেখানে যাচ্ছেন ১৫ জুন রাতে। মিমি যাচ্ছেন একদিন পরে। গায়ে হলুদ থেকে শুরু করে সবটাই হচ্ছে ঘরোয়াভাবে। বিয়ের আগে নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন হয়েছে বোদরুমে। ১৭ জুন ইয়ট পার্টি, ১৮-য় মেহেদি লাগানো ও সংগীত অনুষ্ঠান। বিয়ের পরে রিসিপশন। এতেই শেষ নয়, ২০ জুন হবে হোয়াইট ওয়েডিং।

বিয়েতে নুসরাত পরছেন ডিজ়াইনার সব্যসাচী মুখোপাধ্যায়ের লেহেঙ্গা। নিখিলও সব্যসাচীর পোশাক পরবেন। এক-একটি অনুষ্ঠানের জন্য থিম অনুযায়ী পোশাক বেছে নিয়েছেন নায়িকা। ইয়ট পার্টিতে সামার ফাঙ্ক। নায়িকার মেহেদিতে থিম বোহেমিয়ান। সেখানেও মানানসই ডিজ়াইনার ওয়্যার। সংগীতের জন্য ইন্দো-ওয়ের্স্টান পোশাক। বিয়ের দিন সকালে গায়ে হলুদে উজ্জ্বল হলুদ পোশাক। বিয়ের পরে রাতের পার্টিতে নায়িকা আবার ফিরে যাবেন ওয়েস্টার্ন গ্ল্যামারাস পোশাকে। হোয়াইট ওয়েডিংয়ের জন্য নুসরাত বেছেছেন মিন্ট গ্রিন এবং সাদার মিশেলে ড্রেস।

প্রতিটি অনুষ্ঠানেই থাকছে জম্পেশ খাওয়া-দাওয়ার আয়োজন। বিয়ের দিন মেনুতে থাকছে স্থানীয় কুইজ়িন এবং ভারতীয় খাবার। বিয়ের পরে ইউরোপের কোনো জায়গায় মধুচন্দ্রিমায় যাবেন নব দম্পতি। কলকাতায় ৪ জুলাই রিসিপশন হবে আইটিসি রয়্যাল বেঙ্গলে।