ফলের বাজারে আগুন লেগেছে

ফলের বাজারে আগুন লেগেছে

জ্যৈষ্ঠের পাঁচ দিনেই পটুয়াখালীর হাটবাজারগুলোতে এসেছে নানা প্রজাতির ফল। দোকানিরা ফলের পসরা নিয়ে বসেছেন বিভিন্ন অলিগলি আর দোকানে। তবে চাহিদা অনুযায়ী ফল সরবরাহ কম থাকায় এসব ফলের দাম বেশ চড়া।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, আম, লিচু, কাঁঠাল, বাঙ্গি, আনারস, জামরুল, সফেদাসহ বিভিন্ন মৌসুমী রসাল ফল আসতে শুরু করেছে আড়তে। আড়ৎ থেকে খুচরা বিক্রেতারা ফল কিনে বিভিন্ন দোকান, হাট-বাজার আবার কেউ কেউ ভ্যানে করে ছুটছেন অলি-গলিতে। তবে ফলের দাম জনসাধারণের নাগালের বাইরে থাকায় ক্রেতারা অনেকে শূন্য হাতে ফিরছেন।

শহরের ফল বিক্রেতা সোবহান মিয়া বলেন, আমি বারমাস বেল বিক্রি করি। অন্যদিন পিস হিসেবে বেল বিক্রি হলেও আজ শুধু কেজি দরে বিক্রি করছি। প্রতিকেজি বেলের দাম ২০০ থেকে ২৫০ টাকায় বিক্রি করছি।

ভ্রাম্যমাণ ফল বিক্রেতা সঞ্জীব দাস জানান, প্রতিকেজি তরমুজ ৮০ টাকা। কাঁঠাল প্রকার ভেদে ৩০০ থেকে ৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

খুচরা বিক্রেতা সূত্রে জানা গেছে, প্রতি কেজি আম বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ৩০০ টাকায়। পাকা পেঁপে ৮০ টাকা থেকে ১২০ টাকা, একশ লিচু (বড় আকারের) ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা, ছোট লিচু ২০০ থেকে ৩০০, আনারস আকার ভেদে ৬০ থেকে ৮০ টাকা, জামরুল প্রতি কেজি ১৫০ থেকে ৩০০ টাকা, কলা ১২০ থেকে ১৫০ টাকা ডজন, পেয়ারার কেজি ৮০ টাকা থেকে ১২০ টাকা। সবেদা বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা থেকে ১৪০ টাকা কেজি দরে।

নিউমার্কেট এলাকায় লিচু কিনতে আসা সবুজবাগ এলাকার বাসিন্দা আহাদ জানান, মৌসুমি ফল আজকে প্রথম কিনলেন। ১০০ লিচুর দাম ৩০০ টাকা। তবে লিচুর আকার হিসেবে দাম বেশি না।

শহরের পুরান বাজার এলাকায় বেল কিনতে আসা ইকবাল মাহমুদ জানান, রমজানের আগে বেল ১০০ টাকায় কিনলাম আর এখন বেলের দাম ২০০ টাকা। রোজায় বেলের সরবত খেতে ভালো লাগে তাই দাম বেশি হলেও কিনলাম।

শহরের পুরান বাজার এলাকায় ফল ব্যবসায়ী খোকন দেবনাথ জানান, ভালো জিনিসের দাম একটু বেশি হবেই। এছাড়া নতুন ফলের চাহিদা বেশি। আমাদের বেশি দামে মাল কিনতে হচ্ছে তাই বেশি দাম রাখতে হচ্ছে। যত দিন যাবে বাজারে দেশি ফল নামবে, দামও কমে যাবে।