পাকিস্তানে তালেবানের বোমা হামলায় আওয়ামী ন্যাশনাল পার্টির নেতার মুত্যু » Leading News Portal : BartaBangla.com

বার্তাবাংলা ডেস্ক »

pakবার্তবাংলা রিপোর্ট :: পাকিস্তানি তালেবান গোষ্ঠীর বোমা হামলায় এবার প্রাণ হারালেন আওয়ামী ন্যাশনাল পার্টির নেতা আসন্ন নির্বাচনের প্রার্থী মুকাররম শাহ। গত শুক্রবারই বোমা হামলায় মারা যান নির্বাচনের আরেক প্রার্থী মুত্তাহিদা কওমি মুভমেন্টের ফখরুল ইসলাম। নির্বাচনের আগে এসব সহিংসতা অবিলম্বে বন্ধ করতে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে দেশটির রাজনৈতিক দলগুলো।
সোয়াত উপত্যকায় একটি নির্বাচনী প্রচারণা থেকে ফেরার পথে বোমা হামলায় প্রাণ হারান আওয়ামি ন্যাশনাল পার্টি –এএনপি ‘এর প্রতিনিধি মুকাররম শাহ। এএনপি অনেকদিন ধরেই সোয়াত উপত্যকায় জঙ্গি নির্মূল অভিযানে সমর্থন দিয়ে আসছে। ধারণা করা হয়, এর প্রতিশোধ নিতেই হত্যা করা হয় মুকাররমকে।শুধু মুকাররম শাহই নন। গত শুক্রবার সিন্ধু প্রদেশে মুত্তাহিদা কওমি মুভমেন্টের পক্ষ থেকে নির্বাচনে দাঁড়ানো একজন প্রতিনিধিকেও একইভাবে হত্যা করা হয়। কয়েকদিন আগে পিপিপি মনোনীত দুই প্রার্থীর ওপরও হামলা হয় বলে জানিয়েছে দলটি। অল্পের জন্যে তারা হামলা থেকে বেঁচে যান। এসব হামলার দায় স্বীকার করেছে পাকিস্তানি তালেবান।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার পাকিস্তানি তালেবানের মুখপাত্র আহসানউল্লাহ আহসান পিপিপি, এমকিউএম এবং এএনপি তাদের বিরুদ্ধে কাজ করছে বলে উল্লেখ করে এই তিনটি রাজনৈতিক দলের নেতাদের ওপর হামলা চালানোর হুমকি দেন। জনগণকে এ দলগুলোর মিছিল থেকে দূরে থাকার ব্যাপারেও হুঁশিয়ার করেন তিনি।
এসব ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে এর বিরুদ্ধে সরকারকে পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানিয়েছে এমকিউএম।
মুত্তাহিদা কওমি মুভমেন্টের মুখপাত্র ওয়াসি জলিল বলেন, ‘নির্বাচনের এখনও একমাস বাকি। এর মধ্যেই পরিস্থিতি খারাপ করে দেয়ার ষড়যন্ত্র চলছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই। পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট, তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রধান এবং নির্বাচন কমিশনকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে উদ্যোগ নেয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।’
এদিকে ধর্মভিত্তিক দলগুলোর ওপর কোনো হুমকি না থাকায় নির্ভয়ে জনসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছে তারা। তবে ধর্ম, সম্প্রদায় বা ব্যক্তিগত পরিচয় তুলে ধরে কারো বিরুদ্ধে নির্বাচনী প্রচারণা চালানো যাবে না বলে নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

শেয়ার করুন »

লেখক সম্পর্কে »

মন্তব্য করুন »