বার্তাবাংলা ডেস্ক »

Dating App

ঢালিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা রোববার রাত ১১টার দিকে রাজধানীর টিকাটুলীর নিজ বাসায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন । মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর। তার মৃত্যুতে চলচ্চিত্র অঙ্গনে পড়েছে শোকের ছায়া।

আজ সোমবার সকাল ৯টায় টিকাটুলি জামে মসজিদে জানাজা শেষে আনিসের মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় এফডিসিতে। সকাল ১১ টায় এফডিসিতে তার জানাজা হয়।চোখের জলে কৌতুক অভিনেতা আনিসকে বিদায় দিলো এফডিসি। সেখানে দ্বিতীয় জানাজা শেষে তাকে জন্মস্থান ফেনী জেলার ছাগলনাইয়া থানার বল্লবপুর গ্রামে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। সেখানে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।

তিনি প্রথম উদয়ন চৌধুরীর ‘বিষকন্যা’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের সুযোগ পেয়েছিলেন। পরবর্তীতে জিল্লুর রহিমের ‘এইতো জীবন’ চলচ্চিত্রে অভিনয় দিয়ে শুরু হয় আনিসের অভিনয় জীবন। এটি ১৯৬৪ সালে মুক্তি পায়। আনিস একাধারে একজন চলচ্চিত্রাভিনেতা, রেডিও আর্টিস্ট এবং নাট্য অভিনেতা ছিলেন।

আনিসের বাবা মরহুম আমিনুর রহমান চা বাগানের ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। গ্রামের বাড়ি ফেনী জেলার ছাগলনাইয়ার দক্ষিণ বল্লবপুরে। ১৯৬৫ সালে খালাতো বোন কুলসুম আরা বেগমকে ভালোবেসে বিয়ে করেন আনিস। উনপঞ্চাশ বছর একসঙ্গে সংসার করেছেন তারা। দীর্ঘ দাম্পত্য জীবনে এতটুকু ছেদ পড়েনি তাদের ভালোবাসায়।

আনিসের বড় মেয়ে ফারহা দীবা থাকেন আমেরিকাতে। তার স্বামী তারেক হোসেন সেদেশে ব্যবসা করেন। ছোট মেয়ে ফাতেমা রহমান রিমি কুমিল্লায় আছেন। তার স্বামী আলাউদ্দীন সেখানে ডেল্টা ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিতে কর্মরত। রিমি ইংরেজিতে মাস্টার্স করেছেন। আগে ফরিদপুরের একটি কলেজে অধ্যাপনা করতেন। কিন্তু সন্তান জন্মের পর চাকরি ছেড়ে দিয়েছেন।

আনিস সর্বশেষ অভিনয় করেছেন উত্তম আকাশ পরিচালিত ‘যেমন জামাই তেমন বউ’ চলচ্চিত্রে। তার অভিনীত অন্যান্য চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে ‘এই তো জীবন’, ‘পয়সে’, ‘মালা’, ‘জরিনা সুন্দরী’, ‘জংলী মেয়ে’, ‘মধুমালা’, ‘ভানুমতি’, ‘পদ্মা নদীর মাঝি’, ‘সূর্য ওঠার আগে’, ‘অধিকার’ ‘অঙ্গার’, ‘বারুদ’, ‘ঘর সংসার’, ‘এমিলের গোয়েন্দা বাহিনী’, ‘ পুরস্কার’ ‘লাল কাজল’, ‘ নির্দোষ’ , ‘সানাই’ , ‘উজান ভাটি’, ‘তালাক’ ইত্যাদি। তিনি জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ইত্যাদি’র অনেক পর্বে অভিনয় করেছেন।

Dating App
শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »