বার্তাবাংলা ডেস্ক »

Dating App

মাহিদুল ইসলাম রিপন দিনাজপুর প্রতিনিধি ঃ
দিনাজপুর রেলওয়ে ষ্টেশনের আশপাশের প্রায় প্রত্যেকটি আবাসিক হোটেলে দেহ ব্যবসা জমজমাট ভাবে চলছে। আবাসিক হোটেল গুলোতে এতোটাই প্রকাশ্যে দেহ ব্যবসা চলছে সাধারন সভ্য সমাজের মানুষদের চলা ফেরা দুস্কর হয়ে দাড়িয়েছে। হোটেল গুলোর পার্শ্বেই একটি আহলে হাদিসসহ দুটি মসজিদ রয়েছে। ট্রেনে যাতায়াতকারী সাধারন যাত্রীরা মাঝে মধ্যেই ব্যাপক অসুবিধার সম্মুখিন হচ্ছে। দেহ ব্যবসার পাশাপাশি অসহায় মানুষের সঙ্গে থাকা টাকাসহ যাবতীয় ছিনিয়ে নিচ্ছে একটি ছিনতাইকারী চক্র।
প্রত্যদর্শী সূত্রে জানাযায়, দিনাজপুর রেলওয়ে ষ্টেশনের আশপাশে অবস্থিত আবাসিক হোটেল গুলোতে জমজমাট ভাবে চলছে দেহ ব্যবসা। এসকল আবাসিক হোটেল গুলোতে ভাসমান পতিতারা এসে দেহ ব্যবসা চালাচ্ছে। সন্ধা হলেই প্রকাশ্যে নানা রঙ্গের পোশাক পড়ে দিনাজপুর রেলওয়ে ষ্টেশনের পূর্ব ও পশ্চিম গেটের সামনে খদ্দের জোগার করতে ব্যস্ত সময় পার করে গভীর রাত্রী পর্যন্ত। এসকল ভাসমান পতিতারা আশপাশের জেলা গুলো থেকে এসে তাদের কার্যক্রম চালাচ্ছে। আর দিনে আবাসিক হোটেল গুলোতে লোক দেখানো কাজের মহিলা রাখা হয়েছে ২৫-৩০ বছরের নারী। যাদের দিয়ে দিনের বেলায় দেহ ব্যবসা পরিচালনা করছে হোটেল মালিকরা। এ অবৈধ ভাবে অর্থ উপার্যন করে ষ্টেশন ও তার আশপাশ এলাকার আবাসিক হোটেল গুলোর মালিকরা রাতা-রাতি আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ বনে যাচ্ছে। দেহ ব্যবসার পাশাপাশি রয়েছে একটি সংঘবদ্ধ ছিনতাইকারী দল যারা সব সময় ওত পেতে থাকে পতিতারা খদ্দের নিয়ে হোটেলে প্রবেশের পরই তারা হাতে নাতে ধরে খদ্দেরের কাছে যা থাকে তাই কেড়ে নেয়। এবিষয়ে একাধিকবার দিনাজপুরের স্থানীয় দৈনিক পত্রিকা গুলোতে সংবাদও প্রকাশ পেয়েছে। এসকল আবাসিক হোটেল গুলোর নিকটই রয়েছে জিআরপি থানা আর আধা কিলোর মধ্যে রয়েছে দিনাজপুর কোতয়ালী থানা। এবিষয়ে কয়েকজন দেহ ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলে জানাযায়, স্থানীয় পুলিশের সাথে হোটেল মালিকদের একটি মাসিক হিসেব রয়েছে তাই পুলিশ তাদের বিষয়ে হস্তপে করেনা। পুলিশের মাসিক হিসেবের অর্থ কোতয়ালী থানার ড্রাইভাররা ও জিআরপি থানার মুন্সি মাধ্যম হয়ে কর্তাদের কাছে পৌছে দেয় বলে জানায়। উল্লেখ্য যে, গত ২ মাস পূর্বে বাহাদুর বাজার এলাকার সন্ত্রাসী ও মোটর সাইকেল চোর চক্রেও অন্যতম নেতা সাব্বির দেহ ব্যবসার টাকা নিয়ে সৃষ্টি হওয়া গন্ডগোলকে কেন্দ্র করে ষ্টেশনের পূর্ব গেটে অবস্থিত হোটেল নিজাম ভাংচুর করে। শুধু তাই নয় এসকল সন্ত্রাসীরা ষ্টেশন ও তার আশপাশ এলাকায় রাতে ট্রেন মিস করা যাত্রীদের কোন ফাকে পেলেই যা থাকে সব ছিনিয়ে নেয়। ছিনিয়ে নেয় বাহাদুর বাজার এলাকায় বিভিন্ন গ্রাম থেকে কাচামাল বিক্রয় করতে আসা সাধারন ব্যবসায়ীদের টাকা, মোবাইলসহ সঙ্গে থাকা সবকিছু। এসকল ছিনতাইকারী চক্রের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ থাকলেও স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকায় সাধারন মানুষ হতাশ প্রকাশ করছে। ভাসমান পতিতাদের দেহ ব্যবসা ও ছিনতাইকারী চক্রের সকল সদস্যদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি সংশ্লিষ্ট কতৃপরে হস্তপে কামনা করছে দিনাজপুর শহরের সাধারন মানুষ।

Dating App
শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »