রাজন মিত্র »

Dating App

আসল নাম প্রার্থনা ফারদিন দীঘি। শিল্পী দম্পতি সুব্রত-দোয়েলের মেয়ে দীঘি শিশু শিল্পী হিসেবে সাড়ে ৩ বছর বয়সে ক্যারিয়ার শুরু করেন। তবে কাবুলিওয়ালার মিমি চরিত্রটি করার সময় সে ততোটা ছোট ছিল না। আরো বলা যায়, মিমি চরিত্রের অভিনেত্রী দীঘি এখন আর সেই ছোট্ট খুকীটি নেই। মিমির বড় হয়ে যাওয়া নিয়ে জেল-ফেরত রহমত যেমন চমকিত হয়েছে, তেমনি দীঘিও সকলকে চমকে দিয়ে দুই ছবির নায়িকা হিসেবে কাজ শুরু করেছেন। তিনি স্ট্যামফোর্ড স্কুল এ্যান্ড কলেজে উচ্চ মাধ্যমিকের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী। তার অভিনীত দুটি ছবিরই পরিচালক শামীম আহমেদ রনি। শাপলা মিডিয়া প্রযোজিত ছবি দুটির মধ্যে রয়েছে টঙ্গিপাড়ার মিয়া ভাই এবং একাত্তরের ইতিহাস। দুটি ছবিতেই তার নায়ক প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার সেলিম খান তনয় শান্ত।

শিশু শিল্পী হিসেবে তিন বার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পাওয়া দীঘির ধমনীতে প্রবহমান রয়েছেন অভিনয়ের রক্ত। তার মা দোয়েল ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন শরৎ সাহিত্যের চন্দ্রনাথ দিয়ে। এই চরিত্রটিতে কলকাতায় নির্মিত চন্দ্রনাথে অভিনয় করেছেন সুচিত্রা সেন। তাকে সেই আদলে মেজেঘষে তৈরি করেছিলেন পরিচালক চাষী নজরুল ইসলাম। কিন্তু দীঘিকে কারো তৈরি করতে হয়নি। তিনি গড়ে উঠেছেন নিজের মধ্য থেকেই নিজের মতো করে।

দীঘি বলেন, ‘মায়ের সঙ্গে তুলনীয় হতে চাই না। আমি শুটিং স্পট থেকে নিজের মধ্যেই গড়ে উঠেছি।’ দোয়েলের ক্যারিয়ার শুরু হয়েছিল শরৎ সাহিত্য দিয়ে আর দীঘির চলচ্চিত্র ক্যারিয়ার শুরু হয়েছে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাহিত্য দিয়ে। অর্থাৎ মা-মেয়ে দুজনেই সাহিত্য নির্ভর চলচ্চিত্র দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু করেছেন।

দীঘির ক্যারিয়ার নিয়ে পিতা সুব্রত বলেন, ‘এ দুটি ছবি ছাড়াও আরো কয়েকটি আছে। সেগুলোর নাম এখনই বলতে চাই না।’ এফডিসির দুই নাম্বার ফ্লোরের মেইক-আপ রুমে বসেই দীঘির সঙ্গে কথা হচ্ছিল। দীঘি জানান, ২০০৬ সাল থেকে শিশু শিল্পী হিসেবে তিনি প্রায় ত্রিশ ছবিতে অভিনয় করেছেন। এছাড়া বিজ্ঞাপনচিত্রও রয়েছে প্রায় পঁচিশটির মতো। ক্যামেরায় অভিজ্ঞ দীঘি বর্তমান নায়িকা সংকটে নির্মাতাদের জন্য একজন নির্ভরশীল তারকা হয়ে উঠতে পারবেন বলেই অনেকের বিশ্বাস।  ইমরুল শাহেদের ফেসবুক থেকে

Dating App
শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »