আমীর হোসেন »

Dating App

মেজর(অব.) সিনহা হত্যা মামলায় ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি রেকর্ড করতে আদালতে ইন্সপেক্টর লিয়াকত।
মেজর(অব.) সিনহা হত্যা মামলায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে এক নাম্বার আসামি বাহারছড়া তদন্তকেন্দ্রের ইন্সপেক্টর লিয়াকতকে আদালতে নেয়া হয়েছে। রবিবার (৩০ আগস্ট) দুপুরের কক্সবাজারের টেকনাফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে নেয়ার পর ১৬৪ ধারায় তার জবানবন্দি রেকর্ড করা হবে।

এছাড়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবান্দি দিতে আরেক আসামি নন্দদুলালকে আদালতে হাজির করার কথা রয়েছে। এর আগে শুক্রবার, মামলার প্রধান তিন আসামি টেকনাফ থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশ, বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ সাবেক পরিদর্শক লিয়াকত আলী ও উপপরিদর্শক নন্দদুলাল রক্ষিতের তৃতীয় দফায় আরও তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

সিনহার বড় বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌসের করা হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা র‌্যাবের জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার খাইরুল ইসলাম আসামিদের আদালতে হাজির করে প্রত্যেকের চার দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। শুনানি শেষে আসামিদের প্রত্যেকের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

আসামিপক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ড আবেদনের বিরোধিতা করে জামিন আবেদন করলেও শুনানি শেষে সে আবেদন নামঞ্জুর করেন আদালত।

উল্লেখ্য, গত ৩১ জুলাই রাতে টেকনাফের মারিশবুনিয়া পাহাড়ে ভিডিওচিত্র ধারণ করে মেরিন ড্রাইভ দিয়ে কক্সবাজারের হিমছড়ি এলাকার নীলিমা রিসোর্টে ফেরার পথে শামলাপুর এপিবিএন এর তল্লাশি চৌকিতে পুলিশের গুলিতে নিহত হন মেজর (অব.) সিনহা মো: রাশেদ খান। গত ৫ আগস্ট কক্সবাজার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হত্যা মামলা করেন সিনহা মো: রাশেদ খানের বড় বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস। এতে প্রদীপসহ পুলিশের নয়জনকে আসামি করা হয়। হত্যাকাণ্ডের পর পুলিশ পৃথক তিনটি মামলা করে।

পরে সাক্ষী অপহরণের অভিযোগে অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে টেকনাফ থানায় আরো একটি মামলা করা হয়। অপহরণ মামলাটি ছাড়া অন্য সব মামলার তদন্ত ভার পেয়েছে র‌্যাব। আর সিনহার বোনের করা মামলায় এ পর্যন্ত পুলিশের ৭ জন, এপিবিএনের ৩ জন ও স্থানীয় ৩ জন বাসিন্দা (পুলিশের মামলার সাক্ষী) গ্রেফতার হয়েছেন। তাদের বিভিন্ন মেয়াদে রিমান্ড মঞ্জুর হয়ে জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হয়েছে আসামীরা।

Dating App
শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »