রাজন মিত্র »

Dating App

জেএমবির মামলায় চালান দেওয়ার ভয় দেখিয়ে সাড়ে ৩ লাখ টাকা আদায়ের অভিযোগে কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)-সহ ছয়জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। সোমবার ঢাকা মহানগর হাকিম আবু সুফিয়ান মো. নোমানের আদালতে মামলাটি দায়ের করেন কোতোয়ালি থানার কাপড় ব্যবসায়ী মো. সোহেল। আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ শেষে আদেশ পরে দেবেন বলে জানিয়েছেন। মামলার আসামিরা হলেন কোতোয়ালী থানার ওসি মিজানুর রহমান, এসআই পবিত্র সরকার, খালেদ শেখ, মো. শাহিনুর, কনস্টেবল মিজান ও সোর্স মোতালেব।

মামলার বাদী মো. সোহেল মামলায় জানান, ঈদের পরদিন ২ আগস্ট বিকেল ৪টা থেকে সাড়ে ৪টার দিকে বুড়িগঙ্গা নদী পার হয়ে কোতোয়ালী থানার ওয়াইজঘাট এলাকা দিয়ে বসুন্ধরা মেয়ের বাসার উদ্দেশ্যে রওনা হন মো. সোহেল। পথিমধ্যে পুলিশ তাকে ঘেড়াও করে তল্লাশি করে। কিন্তু পুলিশ কিছুই পায়নি। তার পকেটে থাকা ২ হাজার ৯০০ টাকা ছিল। আসামি খালেদ সেই টাকা নিয়ে নেয়। তল্লাশি শেষে পুলিশ তাকে চলে যেতে বলে। তখন সোহেল সেই টাকা ফেরত চান। তখন তাকে মারধর করা হয়। সেখানে লোক সমাগম বাড়তে থাকে। লোকজন এসে জানতে চান কী হয়েছে। তখন আসামিরা বলে, সে জেএমবির মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি। এরপর তারা টানাটানি শুরু করেন। একপর্যায়ে তার বাদীর পকেটে ২১৪ পিস ইয়াবা পাওয়া গেছে বলে ছবি তোলেন।

মো. সোহেল আরও জানায়, পরে আসামিরা টেনে-হিঁচড়ে তাকে থানায় নিয়ে যায়। পরে তার পরিবারের সদস্যদের খবর দেয়। পরিবারের সদস্যরা সেখানে গেলে আসামিরা তাদের কাছে ৫ লাখ টাকা দাবি করেন। না দিলে জেএমবি সদস্য বলে ফাঁসিয়ে দেওয়ার হুমকি দেন। এ সময় ওসি তাদের টাকার ব্যবস্থা করতে বলেন। সোহেলের পরিবারের সদস্যরা রাতেই আসামিদের দুই লাখ টাকা দেন। পরে সকালে আরও এক লাখ ৫০ হাজার টাকা দেন।

টাকা দেওয়ার পর সোহেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়, মিটফোর্ড হাসপাতালের ভিতরে তিনি মাদক সেবন করছিলেন এবং শিক্ষার্থীদের উত্ত্যক্ত করছিলেন মর্মে ১০০ ধারায় তার বিরুদ্ধে নন এফআইআর করে পুলিশ। আবার আসামিরাই তাকে জামিন করিয়ে আনেন। পরে ভিকটিম সোহেল আদালতে এসে মামলাটি দায়ের করেন।

Dating App
শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »