মোহাম্মদ কামরুজ্জামান »

Dating App

করোনার ভয়াল থাবায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে ভারত। হু হু করে বাড়ছে সংক্রমণের সংখ্যা। বাড়ছে লাশের সারি। এমন পরিস্থিতিতে কভিড-১৯ রোগীদের চিকিৎসায় গ্লেনমার্ক ফার্মাসিউটিক্যালসের অ্যান্টি ভাইরাল ওষুধ ‘ফ্যাভিপিরাভির’ ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছে ড্রাগস কনট্রোলার জেনারেল অফ ইন্ডিয়া। তবে অনুমোদন মিললেও গুরুতর কভিড রোগীদের ক্ষেত্রে এই অ্যান্টি ভাইরাল ওষুধ ব্যবহার করা যাবে না। কেবলমাত্র যাদের শরীরে সামান্য করোনা লক্ষণ রয়েছে তাদেরই এই ওষুধ দেওয়া যাবে বলে জানা গেছে।

মুম্বাইয়ে অবস্থিত এই সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, অবাধে এই ওষুধের ব্যবহার করা যাবে না। রেস্ট্রাক্টেড ইমার্জেন্সি ইউজ ছাড়া এই ওষুধ দেওয়া যাবে না কোনো রোগীকে। একই সঙ্গে জানানো হয়েছে কোনো রোগীর উপর এই ওষুধ প্রয়োগ করার আগে তার থেকে লিখিত অনুমতি নিতে হবে। শুধুমাত্র ভারতেই নয়, বিশ্বের আরো বহু দেশে করোনা চিকিত্‍সায় এই ওষুধ কতটা কার্যকর হতে পারে তা নিয়ে চলছে গবেষণা।

জাপানের ফুজিফিলম ক্যামিক্যালস কোম্পানি ২০১৪ সালে এই ফ্যাভিপিরাভির ওষুধটিকে ‘অ্যাভিগান’ নামে তৈরি করে। ওষুধটি ছিল ফ্লু প্রতিষেধক। চিকিৎসাবিজ্ঞানীরা সম্ভাবনা খুঁজে পাওয়ার পর প্রথমে জাপান করোনা রোগীদের ওপর ওষুধটি প্রয়োগ করেছিল। পরবর্তীতে চীন, রাশিয়া, ইতালিতেও ওষুধটির ব্যবহার শুরু হয়। কিছুটা সাফল্যও পাওয়া যায়। তারা জানিয়েছেন করোনা চিকিত্‍সায় ফ্যাভিপিরাভির ঠিক কতটা কার্যকারি হতে পারে তা জানতে জুলাইয়ের শেষ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

সারা দুনিয়ার বিজ্ঞানী এবং ওষুধ প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলো চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে যত দ্রুত সম্ভব নভেল করোনার চিকিৎসায় কার্যকর ওষুধ বা ভ্যাকসিন আবিষ্কার করতে। করোনা মহামারির কারণে ক্লান্ত ও বিপর্যস্ত মানবজাতি এখন উন্মুখ হয়ে চেয়ে আছে একটা ভ্যাকসিন বা প্রতিষেধকের। আপেক্ষায় আছেন কখন একটা সুখবর দেবেন বিজ্ঞানীরা।

স্টক এক্সচেঞ্জকে দেওয়া বিবৃতিতে গ্লেনমার্ক জানিয়েছে, ‘ভারতে ফ্যাভিপিরাভির ওষুধ ফ্যাভিফ্লু নামে বাজারে ছাড়ার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের।। ইভ্যালুয়েশন অফ ডেটার ভিত্তিতে এই ওষুধ ছাড়পত্র পেয়েছে।’

এর আগে অবশ্য জরুরি অবস্থায় কভিড-১৯ আক্রান্ত রোগীদের গিলেড সায়েন্সেস এর অ্য়ান্টিভাইরাল ড্রাগ রেমডেসিভি ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে ভারত সরকার।

সূত্র- ইন্ডিয়া টাইমস।

Dating App
শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »