সম্প্রীতি মাহমুদ »

Dating App

বিশেষজ্ঞরা এর ভয়ানক পরিণতির আশঙ্কা করছেন, স্পর্শকাতর এ ওষুধগুলোর যথেচ্ছ ব্যবহার হতে পারে প্রাণঘাতী। এইভাবে ওষুধ বিক্রি বেড়ে যাওয়ার পর এখন দায়সারা উত্তর দিয়ে ঔষধ প্রশাসন বলছে, প্রেসক্রিপশন ছাড়া কোন ওষুধ বেচাকেনা নয়। সময় টিভি

[ওরাডেক্সন, ডেক্সানেক্স, ডেকাসন কিংবা রোক্সাডেক্স। এমন সব নামেই বাজারে প্রচলিত সংকটাপন্ন পরিস্থিতিতে ব্যবহৃত স্টেরয়েড ডেক্সামেথাসন। করোনা চিকিৎসায় এ ওষুধ কার্যকর এমন খবরের পর হঠাৎ-ই এর চাহিদা বেড়েছে। সংকট ও অস্বাভাবিক চাহিদার কথা বললেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই কোন ব্যবস্থাপত্র চায়নি ফার্মেসিগুলো। তবে দুয়েকজন সচেতন বিক্রেতাও আছেন এর মধ্যে।

কোভিড নাইনটিনের চিকিৎসায় আলোচনায় আসা অ্যান্টি প্যারাসাইট আইভারমেকটিন, এইডস চিকিৎসার ফেভিপিরাভির, ইবোলা নিরাময়ের রেমডেসিভির-এর চাহিদাও রয়েছে সমানভাবে। বিক্রেতারা বলছেন, সংগ্রহকালে নানা অজুহাত দেখান ক্রেতারা। ওষুধ কিনতে আসা কয়েকজন জানান, শুনলাম করোনা প্রতিরোধে এসব ওষুধ মার্কেট আউট হয়ে যাচ্ছে। তাই সংগ্রহে রাখার জন্যে কিনলাম।

জাতীয় গাইডলাইন প্রণয়ন কমিটির সদস্য রোবেদ আমিন জানান, মানুষজন এই ওষুধ যত্রতত্র ব্যবহার করায় এর রিঅ্যাকশন ভয়াবহ হতে পারে। ডেক্সামেথাসন করোনা চিকিৎসার কোনো ওষুধ না। এটা চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া না নিলে ভয়ঙ্কর হতে পারে। এটা কোনো সহজ ওষুধ নয়।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আতিকুর রহমান জানান, ডায়াবেটিক বা গ্যাস্ট্রিক রোগীদের ক্ষেত্রে এ ওষুধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ায় পেট ফুটো বা ইনফেকশন হয়ে যেতে পারে। যা রোগীর মৃত্যু ঘটাতে পারে। ওষুধ প্রশাসন বলছে, স্পর্শকাতর এসব ওষুধ বেচাকেনায় কঠোর নজরদাড়ি করা হবে এখন থেকে।

ওষুধ প্রশাসনের পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান জানান, এন্টিবায়োটিক, স্টেরয়েড কোনো ওষুধই প্রেসক্রিপশন ছাড়া বিক্রি হয় না। এখন আরও কঠোর হয়ে গেছে। কোভিড মোকাবিলায় কাজ করে এমন ধারণা থেকে চাহিদা বেড়েছে অ্যাজমা ও শ্বাসকষ্টে ব্যবহৃত ওষুধগুলো। ওষুধ বিক্রেতারা বলছেন, বেচাবিক্রি বেড়েছে ভিটামিন সি’, মন্টিলুকাস্ট, প্যারাসিটামল এক্সটা জাতীয় ওষুধগুলোর।

Dating App
শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »