আমীর হোসেন »

Dating App
বাজেটে বরাদ্দের দিক থেকে স্বাস্থ্যখাত ৯ম স্থানে থাকলেও করোনা মহামারি মোকাবিলায় খোক বরাদ্দ ১০ হাজার কোটি টাকা।

করোনা মহামারির সময়েও বাজেটে স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ বাড়েনি খুব একটা। চলতি অর্থবছরের চেয়ে বেড়েছে পাঁচ হাজার কোটি টাকার কিছু বেশি। আর রয়ে গেলো স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দের প্রবৃদ্ধি দিন দিন কমে আসার প্রবণতা। যদিও বিশ্লেষকরা বলছেন, চলমান বাস্তবতায় স্বাস্থ্যখাতে জিডিপির চার শতাংশ বরাদ্দ দেয়া উচিত। অবশ্য করোনা মোকাবিলায় ১০ হাজার কোটি টাকা থোক বরাদ্দ রাখা হয়েছে এবারের বাজেটে।

নভেল করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়লে দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থার ভঙ্গুর অবস্থা আলোচনায় ওঠে আসে। যথেষ্ট যন্ত্রপাতি, চিকিৎসা সরঞ্জাম, সুরক্ষা ব্যবস্থা আর জনবলের ঘাটতি থাকলেও পরিস্থিতি সামাল দিতে হচ্ছে সরকারি হাসপাতালগুলোকেই। এ অবস্থায় সব মিলিয়ে প্রায় সাত হাজার স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দিয়েছে সরকার।

এমন বাস্তবতায় আগামী বাজেটে এই খাতে ২৯ হাজার দুইশে’ ৪৬ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। যা চলতি অর্থবছরের তুলনায় মাত্র সাড়ে পাঁচ হাজার কোটি টাকা বেশি। তবে করোনা মহামারি মোকাবিলায় থোক বরাদ্দ রাখা হয়েছে ১০ হাজার কোটি টাকা।

বাজেটে নতুন যুক্ত হওয়া কর্মীদের বেতন ভাতাসহ অনুন্নয়ন খাতে খরচ ধরা হয়েছে সাড়ে ১৬ হাজার কোটি টাকা। আর উন্নয়নে খরচ ধরা হয়েছে সাড়ে ১২ হাজার কোটি টাকা।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাজেটের আকার বাড়লেও সামগ্রিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য তা গতানুগতিকই থেকে যাচ্ছে।

এদিকে দিনদিন কমছে স্বাস্থ্যখাতের বরাদ্দের প্রবৃদ্ধি। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে এ খাতে বরাদ্দ ছিল ২০ হাজার ছয়শ’ ৫২ কোটি টাকা। যা আগের অর্থবছরের চেয়ে ১৮ ভাগ বেশি। পরের বছর ব্যয় বাড়ে সোয়া ১৩ ভাগ। চলতি অর্থবছরে বরাদ্দ ২০১৮-১৯ অর্থবছরের চেয়ে ১০ ভাগ বেশি। আর প্রস্তাবিত বাজেটে বরাদ্দের প্রবৃদ্ধি আরও কম মাত্র ৮ দশমিক ২ ভাগ।

স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়ন কাজেরও কোনো গতি নেই। চলতি অর্থবছরের মার্চ পর্যন্ত স্বাস্থ্যসেবা ও পরিবার পরিকল্পনা বিভাগ বাস্তবায়ন করতে পেরেছে এডিপির মাত্র ২৬ ভাগ।

Dating App
শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »