বার্তাবাংলা ডেস্ক »

রাজধানীর সেন্ট্রাল হাসপাতালের নয়জন চিকিৎসকের বিরুদ্ধে মামলা করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) কর্তৃপক্ষ। ঢাবির অভিযোগ, ওই হাসপাতালে চিকিৎসায় অবহেলার কারণে আফিয়া আক্তার চৈতি (১৯) নামের বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রী মারা গেছেন।
আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে সেন্ট্রাল হাসপাতালে মারা যান চৈতি। তিনি ঢাবির প্রাণিবিদ্যা বিভাগের প্রথম বর্ষের ছাত্রী ছিলেন। গতকাল বুধবারই ওই হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন চৈতি। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ওই হাসপাতালের বিরুদ্ধে বাদী হয়ে মামলা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর এ এম আমজাদ আলী।
ধানমণ্ডি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুল লতিফ এনটিভি অনলাইনকে জানান, ঢাবি কর্তৃপক্ষ বাদী হয়ে সেন্ট্রাল হাসপাতালের চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন।
এ ব্যাপারে প্রক্টর এ এম আমজাদ জানান, ওই হাসপাতালের নয়জন চিকিৎসককে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আফিয়া যেহেতু প্রথমে ক্যানসার রোগের রিপোর্ট নিয়ে যান, তখন নতুনভাবে পরীক্ষা করার প্রয়োজন ছিল। আফিয়াকে পরীক্ষা না করেই হাসপাতালের চিকিৎসকরা ডেঙ্গুর চিকিৎসা করেন। তাই ওই ঘটনা ঘটে।’
গতকাল বুধবার জ্বর নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন আফিয়া। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে মারা যান চৈতি।
এ ব্যাপারে সেন্ট্রাল হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মতিউর রহমান কাছে দাবি করেন, আফিয়া আগেই একটি রিপোর্ট নিয়ে এসেছিলেন। তাতে বলা হয়, তিনি ক্যানসারে আক্রান্ত। সেন্ট্রাল হাসপাতালে আফিয়ার ক্যানসারের চিকিৎসা হয়নি। তিনি ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত ছিলেন। আগের চিকিৎসকরা যে রিপোর্ট দিয়েছেন তা যাচাই-বাছাই করার প্রয়োজন।
অধ্যাপক মতিউর রহমান বলেন, ‘আমরা ওকে চিকিৎসাসেবা দেওয়ার খুব বেশি সময় পাইনি। আমরা কোনো বিষয় লুকাইনি।’
সেন্ট্রাল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, আফিয়ার মৃত্যুর খবর শুনে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা হাসপাতালে ভাঙচুর করে। শিক্ষার্থীরা চার-পাঁচটি কম্পিউটার, একটি টেলিভিশন সেট, কয়েকটি কক্ষের দরজা ও জানালার কাচ ভাঙচুর করে।

ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন »

শেয়ার করুন »

লেখক সম্পর্কে »

বার্তাবাংলা ডেস্কে আপনাকে স্বাগতম। বার্তাবাংলা (BartaBangla.com) প্রথম সারির একটি অনলাইন গণমাধ্যম; যেটি পরিচালিত হচ্ছে ইউরোপ এবং বাংলাদেশ থেকে। বার্তাবাংলা ডেস্কে রয়েছে নিবেদিতপ্রাণ তরুণ একঝাঁক সংবাদকর্মী। ২০১১ সালে যাত্রা ‍শুরু করা এই অনলাইন পত্রিকাটি এরই মধ্যে পেয়েছে ব্যাপক পাঠকপ্রিয়তা। দেশে-বিদেশে ছড়িয়ে থাকা লাখো পাঠকই আমাদের পথচলার পাথেয়।

মন্তব্য করুন »