বার্তাবাংলা ডেস্ক »

‘কথা ছিল শুধু আংটিবদল হবে। পরে দুই পরিবার মিলে বিয়ের কাজটি সেরে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল। আমরা দুজনও হাসিমুখে মেনে নিই। যার সঙ্গে এত বছর প্রেম করেছি, তাকে জীবনসঙ্গী হিসেবে পেয়েছি, এতেই খুশি।’ নতুন জীবন শুরুর পরদিন আজ শনিবার সকালে এভাবেই নিজের প্রতিক্রিয়া জানালেন আলোচিত গায়িকা মিলা। তাঁর বর পারভেজ সানজারি, পেশায় বৈমানিক। গতকাল শুক্রবার রাতে রাজধানী ঢাকার মিরপুর ডিওএইচএসে নিজ বাড়িতে একেবারে ঘরোয়া আয়োজনে বিয়ের কাজটি সেরে নেন মিলা।

এক যুগ ধরে পেশাদারিভাবে গান গাইছেন মিলা। গানের জগতে আসার আগে থেকেই মিলার সঙ্গে পরিচয় হয় সানজারির। তবে ১০ বছর ধরে তাঁরা একে অপরের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে আবদ্ধ ছিলেন। মিলা বলেন, ‘তখন ফেসবুক ছিল না। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম হিসেবে তখন হাই-ফাইভ ব্যবহার করতাম। সে সময় আমি নিজে থেকে এই একটা ছেলের (পারভেজ সানজারি) সঙ্গে কথা বলি। এখন তো তাঁর সঙ্গে জীবনের বাকিটা পথ একসঙ্গে চলার সিদ্ধান্তও নিয়ে নিলাম। যদিও আমি ইন্টারনেটের প্রেমে বিশ্বাসী নই। শেষ পর্যন্ত আমার ক্ষেত্রে সেটাই বাস্তব হলো।’

মিলার বাবা লেফটেন্যান্ট কর্নেল শহীদুল ইসলাম বাংলাদেশে সেনাবাহিনীর পাইলট ছিলেন। বাবার পেশার প্রতি মেয়ের ভীষণ ভালো লাগা কাজ করত। মিলা বলেন, ‘মেয়েদের স্বভাবজাত একটি বিষয় হচ্ছে, মেয়েরা চায় বর তার বাবার মতোই হবে। কারণ, একটা মেয়ের সামনে বাবাই প্রথম হিরো হিসেবে থাকেন। এ কারণে পাইলট বন্ধুকে অনেক বেশি পছন্দ করতাম।’

All Media Link

মিলা আরও বলেন, ‘ওর (সানজারি) সঙ্গে পরিচয়ের প্রথম থেকে বুঝতে পেরেছি, সে-ই আমাকে সবচেয়ে ভালো বুঝতে পারবে। পথচলার সঙ্গী হিসেবে তাঁকে আমার সেরা মনে হয়েছে। আমি একটু চঞ্চল প্রকৃতির। আর ও তো খুবই শান্ত। স্বভাবের এ বৈপরীত্যের কারণে নিজেদের সমন্বয়ও হয়ে যায় (হাসি)।’

তাড়াহুড়োর কারণে বিয়ের অনুষ্ঠানে মিলা কাউকে দাওয়াত দিতে পারেননি। তবে মাস দুয়েকের মধ্যে দুই পরিবার মিলে বিবাহোত্তর সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করবেন বলে জানান মিলা।

ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন »

শেয়ার করুন »

লেখক সম্পর্কে »

বার্তাবাংলা ডেস্কে আপনাকে স্বাগতম। বার্তাবাংলা (BartaBangla.com) প্রথম সারির একটি অনলাইন গণমাধ্যম; যেটি পরিচালিত হচ্ছে ইউরোপ এবং বাংলাদেশ থেকে। বার্তাবাংলা ডেস্কে রয়েছে নিবেদিতপ্রাণ তরুণ একঝাঁক সংবাদকর্মী। ২০১১ সালে যাত্রা ‍শুরু করা এই অনলাইন পত্রিকাটি এরই মধ্যে পেয়েছে ব্যাপক পাঠকপ্রিয়তা। দেশে-বিদেশে ছড়িয়ে থাকা লাখো পাঠকই আমাদের পথচলার পাথেয়।

মন্তব্য করুন »