বার্তাবাংলা ডেস্ক »

mk-alamgir20130226224131বার্তাবাংলা ডেস্ক ::পাকিস্তান ভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই তৈয়বার সদস্যদের বাংলাদেশে অবস্থানের ব্যাপারে সরকার অবগত বলে দাবি করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহিউদ্দীন খান আলমগীর।

তিনি এও বলেছেন, “তাদের অবস্থান সম্পর্কে যে তথ্য পেয়েছি সেই তথ্যের আলোকে জনসাধারণের সহায়তা নিয়ে চিহ্নিত করে পর্যবেক্ষণের আওতায় এনেছি। এরা নিংসন্দেহে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও স্বার্থে বিশ্বাসী নয়। এরা বিদেশি রাষ্ট্রের এজেন্ট হিসেবে কাজ করছে। তাদের সর্বাত্মকভাবে দমন করা আমাদের নৈতিক ও আইনি দায়িত্ব।”

বুধবার সকালে রাজারবাগ পুলিশ লাইনের ডিকেটটিভ ট্রেনিং স্কুলের নবায়ন সংস্কার কাজের উদ্ধোধন ও সন্ত্রাসী চিহ্নিতকরণ ওয়ার্কশপে প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

All Media Link

এ সময় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু, পুলিশের মহা-পরিদর্শক হাসান মাহমুদ খন্দকার, অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক মোখলেছুর রহমান, হার্ভাড কেনেডি স্কুলের বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার মিলা চেরিনা উপস্থিত ছিলেন।

মুখোশ পরা সন্ত্রাসীদের হামলা প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “সন্ত্রাসীরা আমাদের দেশের কতিপয় স্থানে সরকারি কর্মকর্তা ও সাধারণ নাগরিকের উপরে হামলা চালিয়েছে। দেশের প্রচলিত আইনে এদের দমন করার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছি। অচিরেই সন্ত্রাসবাদ, যুদ্ধাপরাধের বিচার বানচাল করার অভিপ্রায় ইতিহাসের অতীত উপকরণে পর্যবসিত হবে।”

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “কতিপয় জায়গায় ও ঘটনায় জামায়াত শিবির কর্মীদের পুলিশ সহায়তা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ সব অভিযোগ বস্তুনিষ্টভাবে পর্যালোচনা করছি।”

মাহমুদুর রহমানের গ্রেফতারের ব্যাপারে তিনি বলেন, “মঙ্গলবার থেকে তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। অচিরেই সেই ব্যবস্থা আমরা আপনাদের জানাতে পারবো।”

মাহমুদুর রহমানের ভারতীয় সংস্কৃতির আগ্রাসনের অভিযোগ সম্পর্কে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী বলেন, “যারা বাংলাদেশের স্থায়িত্বে বিশ্বাসী নয় তারা এমন কথা বলে। তারা যুদ্ধাপরাধীদের সঙ্গে মিল রেখে কথা বলায় আমি বিস্মিত হই নি।”

ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন »

শেয়ার করুন »

লেখক সম্পর্কে »

মন্তব্য করুন »