বার্তাবাংলা ডেস্ক »

BDR-Mutiny-sm20130224230922বার্তাবাংলা ডেস্ক ::বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় সংঘটিত বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডে নিহত সেনা কর্মকর্তা ও একজন সৈনিকের চতুর্থ শাহাদাৎ বার্ষিকী পালন করা হয়েছে।

সোমবার সকাল ১০টায় রাজধানীর বনানী কবরস্থানে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শহীদদের স্মরণ করা হয়। এরপর শহীদদের প্রতি সম্মান প্রর্দশনের জন্য এক মিনিটি নীরবতা পালন করা হয়।

রাষ্ট্রপতির পক্ষে সামরিক সচিব মেজর জেনারেল কাজী ফখরুদ্দীন আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে মেজর জেনারেল মিয়া মো. জয়নুল আবেদিন বীর বিক্রম, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীর, স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট শামসুল হক টুকু, তিন বাহিনীর প্রধান সম্মিলিতভাবে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ইকবাল করিম ভূঁইয়া (পিএসি), নৌবাহিনী প্রধান ভাইস অ্যাডমিরাল মো. ফরিদ হাবিব (এনডিসি পিএসপি), বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার মার্শাল মো. এনামুল বারী (এনডিইউ পিএসসি) এবং বিজিবির পক্ষে মহাপচালরক মেজর জেনারেল আজিজ আহম্মদ (পিএসপি,জি) বনানীর সামরিক কবর স্থানে শহীদদের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শহীদদে স্মৃতির প্রতি গভির শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

All Media Link

এ সময় সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা গণস্যালুট দেন। পরে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয়।

এছাড়া জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ, আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী এবং আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ নিজ নিজ দলের পক্ষে শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ করেন।

এ সময় বনানী কবরস্থানে এক শোকাবহ পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

সকাল থেকে জোহরের নামাজের পূর্ব পর্যন্ত সকল সেনানিবাসের কেন্দ্রীয় মসজিদে স্ব স্ব এরিয়া এবং ঢাকা সেনানিবাসের সেনা কেন্দ্রীয় মসজিদের দফতর লজিস্টিক এরিয়ার তত্ত্বাবধানে কোরআন খতমের আয়োজন করা হয়েছে। এছাড়া বাদ জোহর শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে মিলাদ মাহফিল এবং বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে।

২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনা ঘটে। তৎকালীন বিডিআর (বর্তমানে বিজিবি) সদর দফতর পিলখানায় কিছু বিপথগামী জওয়ান বিদ্রোহ ঘোষণা করেন। তাদের বুলেট কেড়ে নেয় ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জনের প্রাণ।

ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন »

শেয়ার করুন »

লেখক সম্পর্কে »

মন্তব্য করুন »