বার্তাবাংলা ডেস্ক »

war-sm220130217041016বার্তাবাংলা ডেস্ক ::আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনালস) আইন, ১৯৭৩-এর সংশোধনী বিল জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে। আজ বিকালে পাস হওয়া এ সংশোধনীতে বাদী ও বিবাদীর আপিলের সমান সুযোগ রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে ব্যক্তির অপরাধের সঙ্গে দল বা সংগঠনের অপরাধের বিচারের সুযোগও রাখা হয়েছে সংশোধনীতে। এ বিষয়ে ওয়ার্কার্স পার্টির রাশেদ খান মেনন সংশোধনী আনেন। আইনমন্ত্রী ব্যরিস্টার শফিক আহমেদ সংসদে বিল উপস্থাপন করলে সংশোধনীসহ তা কণ্ঠভোটে পাস হয়।
সংশোধনীতে আপিল নিষ্পত্তির জন্য ৬০ দিনের সময়সীমাও নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে।  গত সোমবার আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনালস) আইন, ১৯৭৩-এর সংশোধনী প্রস্তাব অনুমোদন করে মন্ত্রিসভা। পরের দিন সংসদে সংশোধিত আইনটি বিল আকারে তোলা হয়। সংশোধিত আইনে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালস আইন, ১৯৭৩-এর ২১ (২) ও (৩) ধারার সংশোধনী আনা হয়েছে। ২১ (২) ধারা বলা হয়েছে সরকারের বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে খালাস অথবা শাস্তির বিরুদ্ধে আপিল করার অধিকার থাকবে। বিদ্যমান আইনে সরকারপক্ষের কেবল খালাসের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করার অধিকার আছে। ২১ (৪) ও (৫) ধারা সংযোজন করা হয়েছে। ২১ (৪) ধারায় বলা হয়েছে আপিল আবেদন করার ৪৫ দিনের মধ্যে তা নিষ্পত্তি করতে হবে। বাড়তি সময়ের প্রয়োজন হলে আদালত আরও ১৫ দিন সময় নিতে পারবেন। আপিল নিষ্পত্তির জন্য সব মিলিয়ে ৬০ দিন সময় পাওয়া যাবে।
জামায়াতের সহকারি সেক্রেটারি জেনারেল আবদুল কাদের মোল্লাকে টাইব্যুনালের রায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়ার পর ট্রাইব্যুনাল আইন সংশোধনের দাবি ওঠে। কাদের মোল্লার ফাঁসির দাবিতে গত ১৩ দিন ধরে শাহবাগে তরুণদের আন্দোলন চলছে। সেখান থেকেই ট্রাইব্যুনাল আইন সংশোধনের দাবি তেলা হয়। শাহবাগ প্রজন্ম চত্ত্বরের দাবি মেনে সরকার ট্রাইব্যুনাল আইন সংশোধনের উদ্যোগ নেয়।

ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন »

শেয়ার করুন »

লেখক সম্পর্কে »

মন্তব্য করুন »