বার্তাবাংলা ডেস্ক »

luckyবার্তাবাংলা রিপোর্ট : শাহবাগের অগ্নিকন্যা হিসেবে এরই মধ্যে খ্যাতি পাওয়া লাকী আক্তারকে যুবলীগ নেতা জামান ধর্ষণ করেছেন বলে সামাজিক যোগাযোগ রক্ষার বিভিন্ন সাইটে প্রচারণা চালাচ্ছে একটি গোষ্ঠী। দৈনিক মানবজমিন পত্রিকার বরাত দিয়ে ফেসবুকে অজস্রবার শেয়ার করা হচ্ছে একটি বানানো খবর ও লাকীর ছবি। “১৮ দলীয় জোট” নামে একটি ফেসবুক পেজ থেকে ওই অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। ওই পেইজে মানবজমিনের একটি লোগোসহ লাকীর ছবিও শেয়ার করা হয়েছে। কথিত সংবাদে লেখা হয়, “শাহবাগের অগ্নী কন্যা নামে পরিচিত লাকি আক্তার গত রাত চারটার সময় ধর্ষনের শিকার হন। উলেখ্য লাকি আক্তার সারাদিন তুই রাজাকার, তুই রাজাকার করতে করতে ক্লান্ত শ্রান্ত হয়ে রাত ২টার দিকে তার তিন বান্ধবী কে নিয়ে, অন্যরাতের মত শাহবাগের মোড়ে ঘুমিয়ে পড়ে। রাত চার টার টার সময় প্রকৃতির ড়াকে সাড়া দিয়ে আন্দোলন কারিদের জন্য নির্ধারিত বাথরুমে গেলে যুবলীগ নেতা জামানের নজরে পড়ে।এতে শিকারের সন্ধানে থাকা জামান তার ৬/৭ জন সঙ্গীকে বাথরুমের গেইটে পাহারা দিয়ে আর একজন কে সাথে নিয়ে লাকি আক্তার কে বাথরুমে আটকিয়ে উপর্যপুরি ধর্ষন করে।যুবলীগ নেতা নাম ধারী জামান ওরপে ভড়কা জামানের বিরুদ্ধে পরিবাগে অবস্হিত বিভিন্ন হকারদের কাছথেকে নিয়মিত চাদা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। শাহবাগে অবস্থানরত আমাদের বিশেষ প্রতিনিধি জানায়, জামানের মত আরো ৩/৪ টি গ্রুফ এই ঘৃণ্য অপকর্ম চালিয়ে আসতেছে গত ৭/৮ দিন ধরে। গভীর রাতে বাথরুমে আসা যুবতীদের কেই তারা থার্গেট করে।
এই ঘটনা জানাজানি হলে, শাহবাগে মৃদ উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে, ছাত্রলীগ নেতারা হস্তক্ষেপ করে মিড়িয়া কর্মীদের থেকে ঘটনা আড়াল করার চেষ্টা করে। সারা বিশ্ব যখন ধর্ষন এর বিরুদ্ধে সোচ্ছার ঠিক তখন এই ঘটনা বাংলাদেশের ভাবমুর্তি ক্ষুন্ন করবে।”

তবে এ বিষয়ে গতকাল বিকেলেই মানবজমিন তাদের অনলাইন ভার্সনে একটি সংবাদ প্রকাশ করেছে। ওই সংবাদে বলা হয়, “শাহবাগ আন্দোলনের ‘শ্লোগান কন্যা’ লাকি আক্তারকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ও ব্লগে আপত্তিকর প্রচারণা চালানো হচ্ছে। মানবজমিন অনলাইন এর লোগো ব্যবহার করে এ ধরনের একটি আপত্তিকর প্রচারণার বিষয় আমাদের নজরে এসেছে। আমাদের বক্তব্য হলো এ ধরনের আপত্তিকর কোন সংবাদ মানবজমিন এর প্রিন্ট এবং অনলাইন সংস্করণে প্রকাশ হয়নি। দেশ-বিদেশে জনপ্রিয় দৈনিক মানবজমিন ও মানবজমিন অনলাইন-এ তথ্য উপাত্তহীন  বিভ্রান্তিমূলক সংবাদ প্রকাশের সুযোগও নেই। সকাল থেকে দেশ এবং দেশের বাইরে থেকে এ ধরনের খবরের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য মানবজমিন অফিসে অসংখ্য পাঠক টেফিফোনে বিষয়টি অবহিত করে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। এ ধরনের অপপ্রচারের বিষয়ে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার জন্য পাঠক ও সুধীজনদের আমরা আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।”

 

ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন »

শেয়ার করুন »

লেখক সম্পর্কে »

আমি ফারজানা চৌধুরী তন্বী। লেখালিখি করি ফারজানা তন্বী নামে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর করার পর আজ প্রায় পাঁচ বছর ধরে লেখালিখির সঙ্গেই আছি। বার্তাবাংলা’য় কাজ করছি সিনিয়র রিপোর্টার হিসেবে। আমার বিশেষ আগ্রহের ক্ষেত্র ফিচার, প্রযুক্তি আর লাইফস্টাইল। ভালো লাগে ভ্রমণ, বইপড়া, বাগান করা আর ইন্টারনেট নিয়ে পড়ে থাকা :)

মন্তব্য করুন »