বার্তাবাংলা ডেস্ক »

Barishal-Bating-sm20130213080400বার্তাবাংলা ডেস্ক ::শীর্ষ চারে খেলার জন্য সিলেট রয়্যালসের বিপক্ষে ম্যাচ জেতা অপরিহার্য ছিল বরিশাল বার্নার্সের জন্য। টানটান উত্তেজনার ম্যাচে শেষপর্যন্ত তারাই হারলো। দুই বল বাকি থাকতে এক উইকেটে জয় পায় সিলেট রয়্যালস। লিগে এটা ছিল তাদের শেষ ম্যাচ। ১২ ম্যাচের নয়টিতে জিতে পয়েন্ট তালিকারও শীর্ষে সিলেট।

বরিশাল বার্নার্স: ১৪৪/৯ (২০ ওভার)
সিলেট রয়্যালস: ১৪৫/৯ (১৯.৪ ওভার)
ফল: সিলেট রয়্যালস এক উইকেটে জয়ী

বরিশালের এটি সপ্তম হার। বৃহস্পতিবার লিগে নিজেদের শেষ ম্যাচে রংপুর রাইডার্সকে হারালেও শীর্ষ চারে যাওয়া হচ্ছে না বরিশালের। সেক্ষেত্রে দিনের প্রথম ম্যাচে চিটাগং কিংসের কাছে হারা দুরন্ত রাজশাহী মুখোমুখি লড়াইয়ে এগিয়ে থেকে চলে যাবে এলিমিনেটর রাউন্ডে। অতএব এখনই বলা যায় গতবারের রানার্সআপ বরিশাল বার্নার্সের বিপিএল অভিযান বৃহস্পতিবার শেষ।

All Media Link

রংপুর ১১ ম্যাচ খেলে পাঁচটিতে জিতেছে। রানগড়ে এগিয়ে থেকে এখন পয়েন্ট তালিকার চতুর্থ স্থানে তারা। কিন্তু বরিশালের কাছে হেরে গেলে রংপুরেরও বিদায় ঘণ্টা বাজবে। আর জিতলে ১২ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষ চারে যাবে রংপুর। আর তিন দলের পয়েন্ট সমান হলে মুখোমুখি জয়ে এগিয়ে যাবে রাজশাহী।এদিকে সিলেট, ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটরস ও চিটাগং কিংস এরই মধ্যে শীর্ষ চারে খেলা নিশ্চিত করে ফেলেছে। বাকি একদল নির্বাচিত হবে রংপুর ও বরিশালের ম্যাচের ফলাফলের ওপর।

বরিশাল বর্নার্সের জন্য বাঁচামরার লড়াই ছিল। এমন চাপের ম্যাচে ভালো খেলা সত্যিই কঠিন। প্রথম ধাক্কাটা আসে দলের পাঁচ রানে উইকেট হারিয়ে। সাত রানে তিন উইকেট হারালে ব্যাটিং বিপর্যয়ের শঙ্কায় পড়ে। কিন্তু এরপর চারটি জুটি হওয়ায় ১৪৪ রানের শোভন স্কোর পেয়ে যায় বরিশাল। চতুর্থ উইকেটে ৫২ রান যোগ হয় ব্রাড হজ ও সাব্বির রহমানের ব্যাটে। সাব্বির ১৮ রানে সাজঘরে ফিরে যাওয়ার পর ব্রাড হজ ও ফিল মাস্টার্ডের জুড়ি হয় ২৩ রানের। এবার হজকে ফেরত পাঠান মমিনুল হক। ৪০ বলে ৪৬ রান করেন হজ।

সেট ব্যাটসম্যান আউট হওয়ার পর ফের উইকেট পড়তে থাকে বরিশালের। আলাউদ্দিন বাবু, মাস্টার্ড এবং হামিদ হাসান পর পর উইকেট দিয়ে আসেন। নবম উইকেটে ৩০ আর দশম উইকেটে ২২ রানের জুটি হলে লড়াইয়ের পুঁজি পেয়ে যায় গতবারের রানার্সআপ বরিশাল। অলক কাপালী ৩৪ এবং ইলিয়াস সানি ২০ রান করেন।

মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বরিশালের ১৪৫ রানের লক্ষ্যও যে সিলেটের জন্য কঠিন টার্গেট ভাব যায়নি। রানের খাতা খোলার আগেই ক্যাচ দিলেন হ্যামিলটন মাসাকাদজা। তবে পল স্টারলিং ২৯ বলে ৪২ রান, ইমতিয়াজ হাসান ১৩, মুশফিকুর রহিম ৩৪ এবং মমিনুল হক ১৪ রানে আউট হলেও লক্ষ্যের কাছাকাছি পৌঁছে যায়। সিলেটের সংগ্রহে তখন ছয় উইকেটে ১২৫ রান। জয়ের জন্য দুই ওভারে ১৯ রান করতে হতো তাদের। মোহাম্মদ নবী তিনটি বাউন্ডারি নিলে ১৯তম ওভারে ১৫ রান যোগ হয়। শেষ ওভারে চার রান লাগে ম্যাচ জিতেতে। সব শঙ্কা উড়িয়ে দিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় সিলেট।বরিশালের হামিদ হাসান তিনটি, আজহার মাহমুদ ও ইলিয়াস সানি দুটি করে উইকেট নেন। ম্যাচ সেরা হয়েছেন বরিশালে পল স্টারলিং।

ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন »

শেয়ার করুন »

লেখক সম্পর্কে »

মন্তব্য করুন »