বার্তাবাংলা ডেস্ক »

Sayeed story20130209061721বার্তাবাংলা ডেস্ক ::‘অতশত বুঝি না। যাদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ মদদে কিংবা অংশ গ্রহণে আমার পিতার মতো লক্ষ লক্ষ জীবন ছিনিয়ে নিয়েছে, মা বোনদের ইজ্জত নিয়েছে, তাদের শুধু ফাঁসি নয়, ফাঁসির পর তাদের লাশ পাকিস্তানের মাঠিতে করব হোক এটাই প্রত্যাশা করেন শহীদ মুক্তিযোদ্ধার সন্তান সাইফুল আলম লিমন।

নিজের বাবাকে হারিয়েছেন যুদ্ধে। সেই ক্ষত আজও শুকায়নি। বাবাকে হত্যায় যারা সহযোগিতা করেছিলেন তাদের ফাঁসির দাবিতে শাহবাগের গণজাগরণ এসে এভাবে মত দেন তিনি।

যুদ্ধাহত ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধার পরিবারের সন্তানদের মতামত নিয়ে লেখা এক ডায়েরিও ইতমধ্যে তৈরি করা হয়েছে। মতামতের অনুলপি পৌঁছে দেওয়া হবে সরকারের কাছে।

All Media Link

শুধু মক্তিযোদ্ধার সন্তানেরা নয়, শাহবাগের গণজাগরণ চত্বরে মতামত লিখছেন সাধারণ মানুষ। সবার মধ্যে আগ্রহ দেখা যায় চোখে পড়ার মতো।

আয়োজকরা জানান, তৃতীয় দিনের মতো তারা উন্মুক্তভাবে এই গণ মতামত নিচ্ছেন। তিন দিনে চারটি বড় রেজিস্ট্রার শেষ হয়েছে। তবে কি পরিমাণ মানুষ এতে মতামত লিখেছেন তা হিসাব করা সম্ভব হয়নি।

রেজিস্ট্রারে যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা সন্তান মাসুদ বলেন, আমি একজন একজন যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হয়ে কাদের মোল্লার এ রায় মেনে নিতে পারি না। আমি সকল যুদ্ধাহত অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদ- কামনা করছি।

ধানম-ির রিয়া লিখেছেন, ৪০ বছর ওরা অনেক সুযোগ ভোগ করেছে। বাংলাদেশের জন্য এটা দু:খজনক। মুক্তিযুদ্ধের সম্মান থাকবে সবার ওপরে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী চেতনা লিখেছেন, মৃত্যুদ-প্রাপ্ত বাচ্চু রাজাকারসহ সকল যুদ্ধাপরাধীর সম্পদ বাজেয়াপ্ত করতে হবে। এটাই আমার দাবি।

মাদারিপুরের রেমা লিখেছেন, কথা দিলাম মা, কথা দিলাম বোন, কথা দিলাম শহীদ ভাইয়েরা ফাঁসির রায় না নিয়ে ঘরে ফিরে যাবো না।

ফাঁসির বিকল্প নাই, এ মন্তব্য করেছেন আন্দোলনকারী নোমান।

আরেকজন মতামত লিখে বলেছেন, রাজাকার ও তাদের বংশধর শেষ করতে হবে।

ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন »

শেয়ার করুন »

লেখক সম্পর্কে »

মন্তব্য করুন »