বার্তাবাংলা ডেস্ক »

Pakistanবার্তাবাংলা ডেস্ক :: কাশ্মীরের জনগনের প্রতি নিজের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছে পাকিস্তানের শীর্ষ নেতারা। কাশ্মীর ঐক্য দিবস উপলক্ষে সোমবার পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারি ও প্রধানমন্ত্রী রাজা পারভেজ আশরাফ পৃথকভাবে শুভেচ্ছা বার্তা দিয়েছেন।

পাকিস্তানের শীর্ষ এই দুই  নেতা আন্তর্জাতিক আইন মেনে এবং কাশ্মীরের জনগণের ইচ্ছার ভিত্তিতে কাশ্মীর সমস্যার সমাধান চান।

বার্তায় কাশ্মীরিদের প্রতি রাজনৈতিক, নৈতিক ও কূটনীতিক সমর্থন ব্যক্ত করেছেন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী।

All Media Link

জারদারি বলেন, “আমি আজকে আমার কাশ্মীরি ভাইয়ের নিশ্চিত করতে চাই যে পাকিস্তান কাশ্মির সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধানে খুঁজতে দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতবদ্ধ।”

পৃথক বার্তায় আশরাফ বলেন, “ভারত সরকারের সঙ্গে আলোচনায় সব সময় সমর্থন রয়েছে পাকিস্তানের।”

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী আশরাফ বলেন, “‌আস্থার ভিত্তিতে আমরা ‘আস্থা ও নিরাপত্তা গঠন পদক্ষেপসমূহ’ (সিবিএমএস) চালু করেছি এবং আশা করি যে সিবিএমএস কাশ্মীরের জনগণের ভোগান্তি কমাবে। আমরা আশা করি যে সিবিএমএস কাশ্মীরের জনগণের ইচ্ছানুসারে কাশ্মীর বিবাদের সমাধান টানবে।”

সোমবার সকাল ১০ জম্মু ও কাশ্মীর প্রবেশপথে ছয়টি সেতুতে পাকিস্তানি ও কাশ্মীরিরা হাতে হাত রেখে মানববন্ধন করে।

বিশেষ দোয়া, গণসমাবেশ, সিম্পোজিয়াম, শান্তিমিছিল, আলেচনাসভা ইত্যাদির মাধ্যমে দিবসটি পালিত হয়।

দিবসটি উপলক্ষে মুজাফ্ফরারাবাদে যৌথভাবে আলোচনা সভার আয়োজন করে আজাদ জম্মু ও কাশ্মীর (এজেকে) বিধানসভা, এজেকে পার্লামেন্ট, ও এজেকে কাউন্সিল ।

মুসলিম সম্মেলন কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক কমিটির চেয়ারম্যান রাজা ‍জাফর মাহারুফ বলেন, “ঐক্য দিবস সমস্যার সমাধানে আমাদের প্রতিশ্রুতি সত্ত্বেও আত্মত্যাগী হাজারো কাশ্মীরির আত্মত্যাগ স্মরণ করে দেয়।”

কাশ্মীর সমস্যার সমাধান আবশ্যক-এটি বিশ্ববাসীর কাজে তুলে ধরতে দিবসটি পালিত হচ্ছে বলে জানান তিনি।

পাকিস্তান ১৯৯০ সাল থেকে  প্রতিবছর ৫ ফেব্রয়ারি কাশ্মীর সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধানের উদ্দেশ্যে কাশ্মীর ঐক্য দিবস পালিত হয়। আর ভারতে দিনটি প্রতিবাদ দিবস হিসেবে পালিত হয়।

ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন »

শেয়ার করুন »

লেখক সম্পর্কে »

আমি ফারজানা চৌধুরী তন্বী। লেখালিখি করি ফারজানা তন্বী নামে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর করার পর আজ প্রায় পাঁচ বছর ধরে লেখালিখির সঙ্গেই আছি। বার্তাবাংলা’য় কাজ করছি সিনিয়র রিপোর্টার হিসেবে। আমার বিশেষ আগ্রহের ক্ষেত্র ফিচার, প্রযুক্তি আর লাইফস্টাইল। ভালো লাগে ভ্রমণ, বইপড়া, বাগান করা আর ইন্টারনেট নিয়ে পড়ে থাকা :)

মন্তব্য করুন »